Sponsored Ad

Bangla Hajj News: হজযাত্রীদের ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ করবে সৌদি

Bangla Hajj News

হজযাত্রীদর জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব। আগামী হজ মৌসুম থেকে এটি কার্যকর করা হবে।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনিসুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর বাসসের।

তিনি বলেন, সৌদি কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে হজযাত্রীরা পবিত্র হজব্রত পালনের উদ্দেশে জেদ্দা ও মদিনা গমনের জন্য বাংলাদেশের বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের জন্য প্রি-ক্লিয়ারেন্স পাবেন। এর ফলে হজযাত্রীদের সৌদি বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পয়েন্টগুলোতে দীর্ঘ লাইন দিয়ে অপেক্ষার ঝামেলা পোহাতে হবে না বলে মনে করেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা।

সচিব আরও বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে প্রি-ক্লিয়ারেন্স চালু করার উপায় খুঁজে বের করতে শিগগিরই সৌদি আরবের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা আসবে। এবং তারা সৌদি ফিরে যাওয়ার আগে এখানে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। 




আনিসুর রহমান বলেন, সরকার সৌদি কর্তৃপক্ষকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট দেশের এই তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সবক’টিতে প্রি-ক্লিয়ারেন্স চালুর অনুরোধ জানাবে।

হজ এজেন্সিস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সভাপতি শাহাদাত হোসেন তাসলিম সৌদি কর্তৃপক্ষের এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, এটি হজ ব্যবস্থাপনাকে সহজ করে তুলবে। আমাদের দেশের হজযাত্রীরা সৌদি বিমানবন্দরে নেমে সোজা লাগেজ এরিয়ায় চলে যেতে পারবেন।
তিনি জানান, সৌদি হজ ও ওমরা মন্ত্রণালয় চলতি বছর হজ মৌসুমে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে প্রি-ক্লিয়ারেন্স ব্যবস্থার সফল বাস্তবায়ন করেছে।

প্রসঙ্গত, সৌদি আরবের কোটা অনুযায়ী বাংলাদেশ ২০১৮ সালে এক লাখ ২৭ হাজার হজযাত্রী পাঠাতে পারবে। এ পর্যন্ত দুই লাখের বেশি হজ গমনেচ্ছু ব্যক্তি আগামী বছরের জন্য নাম নিবন্ধন করেছেন। 

Source:

Please share this news to your friends and relatives.

Weird but cute: Japan's capsule toys play big in Internet age

Weird but cute Japan's capsule toys play

A tiny replica of an ancient Egyptian sarcophagus and a plastic cat squatting on sushi: just two of the weird-and-wonderful capsule toys that have become a multi-million-dollar craze in cute-obsessed Japan.

The industry is now worth an estimated 30 billion yen ($265 million), with the fastidious attention to detail in the toys appealing to the Japanese sense of precision along with a well-documented love of all things "kawaii" or cute.

One store, in Tokyo's famous Akihabara electronics district, is crammed with around 500 capsule toy vending machines stretching out as far as the eye can see.

"When I see something I want, I keep on turning the crank until I get it," said Shota Makita, a 23-year-old careworker on the hunt for a fun toy.

"There's a sense of excitement about not knowing what I'll get," said Makita, one of a growing number of adult consumers of capsule toys, known as "gachagacha" or "gachapon" in Japanese after the cranking sound.

Store manager Yo Kono says the customer base has changed in the 16 years the shop has been open.




"At the beginning, visitors were mainly male anime fans... but recently the number of customers is growing with more female visitors and foreign tourists," Kono said.

- 'Cheap and Instagram-worthy' -

Capsule toys have been around for more than 40 years but the craze really took off in 2012 when Tokyo-based manufacturer Kitan Club launched its "Koppu no Fuchico" ("Fuchico at the edge of a glass") product.

This figurine of a woman wearing a typical office worker's clothes, whose arms or legs were designed to hang over the edge of a glass, became an instant hit with adults.

"We never thought of targeting children. Their numbers are dwindling and adults have more money," said spokesman Seita Shiki.

Shiki chalks up the Fuchico capsule's success to the fact it is "cheap and Instagram-worthy."

Fans have been sharing photos of Fuchico on social media, which helped boost its popularity without the company even needing to advertise, he boasted.

"Fuchico was launched just as social media started to be used widely. It fitted with the times."

Kitan Club, which makes various kinds of capsule toys, saw its sales grow from 800 million yen to 1.2 billion yen after the launch of the Fuchico series.

The capsule toy became so popular that the company was asked to create a pop-up shop at the cult Paris concept store Colette and to hold an exhibition in Taiwan.

- 'Very Japanese' -

Now many manufacturers are making capsule toys to appeal to adult consumers, helping to expand the market to around 100 new items each month.

Manufacturer Bandai, which occupies around 70 percent of the capsule toy market, said the products sell well because they are expertly made and they come in huge varieties.

When Bandai began making capsule toys exactly 40 years ago in 1977, the majority of them were cheap, sold mostly at 20 yen, and were of poor quality, general manager Toshikazu Saita said.




"A wide variety of quality products are available at only 200 or 300 yen. I think that's a reason why they're so popular now," said Saita.

He said the quality of the products was down to specialists who "hand-carve prototypes by paying attention to angles and colours."

"The attention to detail is very Japanese," he said.

But to keep costs down, the actual toys are manufactured in China using the Japanese design as a prototype.

Shiki of Kitan Club agreed that attention to detail was what set Japanese capsule toys apart.
"For example, Fuchico's knees and elbows are slightly sprayed with red paint to make them look real," he explained.

"This adds one extra step but we feel we have to do this" even if it adds to the cost, he added.

It certainly appeals to Nana Sakuma, 26, who snapped up four capsule toys in the shape of Japanese food stalls from machines in the Akihabara store.

She said: "I'm really happy to find toys that are so real. When I see real things turned into miniatures, I find them irresistibly cute. I cannot help but buy them."

Source: AFP

Please share this news to your friends and relatives.

Bangla Health Tips: যে কারণে হার্টের সুস্থতায় বাদাম খাওয়া জরুরি

Bangla Health Tips

ইন্টারন্যাশনাল নাট অ্যান্ড ড্রয়েড ফ্রউট কাউন্সিলের করা এক গবেষণায় জানা গেছে হার্টকে চাঙ্গা রাখতে বাদামের নাকি কোনো বিকল্প নেই। বাদামের শরীরে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে এই উপাদানটি শরীরের ভেতরে জমতে থাকা টক্সিক উপাদানকে বের করে দেয়। সেই সঙ্গে প্রদাহ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। ফলে হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়তে থাকে, সেই সঙ্গে শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। 

এখানেই শেষ নয়, বাদামে উপস্থিত ফাইবারও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এই উপাদানটি রক্তে জমতে থাকা খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণও কমায়। ফলে এই দিক থেকেও হার্ট অনেকটাই সুরক্ষিত থাকে। অর্থাৎ এক কথায় কিডনির মতো দেখতে এই খাবারটি এমনি খান বা ভেজে, দু'ক্ষেত্রেই সমান উপকার পাবেন। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত এক মুঠো করে বাদাম খেলে যে শুধু হার্টের অবস্থার উন্নতি ঘটে, এমন নয়! সেই সঙ্গে আরও কিছু উপাকার পাওয়া যায়। যেমন...

১. শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়:
কাজুতে রয়েছে ওলিসিক নামে এক ধরনের মোনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, যা দেহে বাজে কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে দারুন কাজে আসে।
তাই তো নিয়মিত এই বাদামটি খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ফলে হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

২. ক্যান্সার রোগ দূরে থাকে:
এই মরণ রোগটি যদি সাপ হয়, তাহলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হল বেজি। তাই তো যেখানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, সেখানে ক্যান্সার সেলের খোঁজ পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তাই তো প্রতিদিন এক মুঠো করে কাজু বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। আসলে এই বাদমটির শরীরে রয়েছে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সার সেলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি টিউমার যাতে দেখা না দেয় সেদিকেও খেয়াল রাখে। প্রসঙ্গত, কাজু বাদামে থাকা প্রম্যান্থোসায়ানিডিন নামে একটি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৩. হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে:

যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে কাজু বাদামে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট একদিকে যেমন ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে, তেমনি নানাবিধ হার্টের রোগ থেকে বাঁচাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যাদের পরিবারে হার্ট ডিজিজের ইতিহাস রয়েছে, তারা প্রয়োজন মনে করলে এই প্রাকৃতিক উপাদানটির সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতেই পারেন।

৪. হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে:
কাজু বাদামে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে এই বাদামটি নিয়মিত খেলে হাড়ের শক্তি বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে বুড়ো বয়সে গিয়ে অস্টিওআর্থারাইটিসের মতো হাড়ের রোগ হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৫. সংক্রমণের আশঙ্কা কমে:
এই প্রাকৃতিক উপাদানটিতে থাকা জিঙ্ক, ভাইরাসের আক্রমণের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। তাই আপনি যদি এই ধরনের ইনফেকশনের শিকার প্রায়শই হয়ে থাকেন, তাহলে প্রতিদিনের ডায়েটে কাজু বাদামের অন্তর্ভুক্তি ঘটাতেই পারেন। 

৬. ব্লাড প্রেসার কন্ট্রলে থাকে:
মাঝে মধ্যেই কি রক্তচাপ গ্রাফের কাঁটার মতো ওঠা-নামা করে? তাহলে তো চটজলদি কাজু খাওয়া শুরু করতে হবে। কারণ এই বাদামে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, যা ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৭. চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:
কপার হল সেই খনিজ, যা চুলের ঔজ্জ্বল্য বাড়ানোর পাশাপাশি চুলের গোড়াকে শক্তপোক্ত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই উপাদানটি প্রচুর পরিমাণে রয়েছে কাজুতে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন কিভাবে কাজু চুলের সৌন্দর্য বাড়িয়ে থাকে। তবে এখানেই শেষ নয়, কাজু বাদামে থাকা কপার শরীরের অন্দরে এমন কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যা চুলের কালো রংকে ধরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়।

৮. ওজন কমায়:
অতিরিক্ত ওজনের কারণে যদি চিন্তায় থাকেন তাহলে আজ থেকেই বাদাম খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। আসলে এতে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান শরীরে উপস্থিত অতিরিক্ত মেদকে ঝরিয়ে ফেলে। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতারও উন্নতি ঘটায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।

৯. নার্ভের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়:
বাদাম শরীরে থাকা ম্যাগনেসিয়াম নার্ভের ক্ষমতা বাড়িয়ে সার্বিকভাবে মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর একবার ব্রেন পাওয়ার বাড়তে থাকলে ধীরে ধীরে ব্রেনের কগনিটিভ ফাংশনেরও উন্নতি ঘটে। ফলে বুদ্ধি, স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগও বাড়তে শুরু করে।

Source: bd-pratidin

Please share this news to your friends and relatives. 

NFL Network suspends analysts over sexual misconduct suit


NEW YORK (AP) — Hall of Fame player Marshall Faulk and two other NFL Network analysts were suspended after a woman who worked as a wardrobe stylist at the network accused them of sexual misconduct in a lawsuit.

The NFL on Tuesday identified the three as Faulk, Ike Taylor and Heath Evans. They have been “suspended from their duties at NFL Network pending an investigation into these allegations,” league spokesman Brian McCarthy said.

Jami Cantor described several sexually inappropriate encounters with the three retired players and others who have worked for NFL Network, according to court documents first reported by Bloomberg .

The lawsuit and suspensions are the latest in a wave of sexual misconduct allegations against prominent men in politics, entertainment and media.

Former NFL Network executive Eric Weinberger, former NFL Network analysts Donovan McNabb, Eric Davis, and Hall of Famer Warren Sapp, and former NFL Network employee Marc Watts also are named in the lawsuit.

Weinberger is president of the Bill Simmons Media Group and was placed on leave, according to a statement given to the New York Times . McNabb and Davis now work as ESPN radio contributors.


“We are investigating, and McNabb and Davis will not appear on our networks as that investigation proceeds,” ESPN spokesman Josh Krulewitz said Tuesday.

None of the men named immediately responded to messages seeking comment from The Associated Press.

Cantor worked at NFL Network for a decade until she was fired in October 2016. In the suit against NFL Enterprises, she alleges age and sex discrimination, sexual harassment that created a hostile work environment, wrongful termination and defamation.

Cantor’s lawyer, Laura Horton, filed an amended complaint Monday to the original suit filed in Los Angeles Superior Court in October. The amended version includes the names of those accused and details about the sexual misconduct allegations.

Horton said she has not heard back from the NFL Network since the original filing in October.

“It’s been silent. It just went nowhere,” Horton said Tuesday. “They haven’t reached out to me. I don’t know what their next move will be.”
Cantor said in the suit that Faulk fondled and groped her and asked “deeply personal and invasive questions” about her sex life. Cantor said she received inappropriate and sexually explicit texts from Weinberger, McNabb, Taylor and Evans.

“It was a severe, pervasive, sexually charged work environment,” Horton said. “There was a lot of stuff going on. The texts and the video and the photographs, I’ve got them. It’s not like a he-said, she-said sort of thing. I’ve got documentary evidence.”

Faulk starred for the Indianapolis Colts and St. Louis Rams. The running back was the NFL’s MVP in 2000 and won a Super Bowl with the Rams in the 2000 game. He retired in 2005.

Taylor spent 12 seasons as a cornerback with the Pittsburgh Steelers. Evans, a fullback, was in the league for 10 seasons, mostly with Seattle, New England and New Orleans.

Source: AP

Please share this news to your friends and relatives. 

Bangla News: উত্তর কোরিয়ায় পলাতক মার্কিন সেনার মৃত্যু


বছর চব্বিশ বয়স তখন। 'স্কুটার' ছিল তার ছদ্মনাম। ঠান্ডা লড়াইয়ের মধ্যে ১৯৬৫ সালের জানুয়ারিতে উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তে অসামরিক অঞ্চলে (ডিমিলিটারাইজড জোন) টহল দিতে গিয়ে উধাও হয়ে যান মার্কিন সেনা সার্জেন্ট চালর্স রবার্ট জেনকিন্স। 

পরে জানা যায়, উত্তর কোরিয়ায় ঢুকে পড়েছিলেন তিনি। ঠান্ডা যুদ্ধের সময় জেনকিন্সকে ঘিরে আরও নানা নাটকীয় মুহূর্তের গল্প শোনা যায়। সোমবার জাপানে মারা গেছেন প্রাক্তন সেই মার্কিন সার্জেন্ট। বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।

২০০৪ সালে তার বিচারের সময় জাপানে কোর্ট মার্শালে জেনকিন্স জানিয়েছিলেন, দক্ষিণ কোরিয়ায় ঝক্কির কাজ করতে মন চাইছিল না। ভিয়েতনামেও যুদ্ধে যাওয়ার ইচ্ছে ছিল না। তাই উত্তর কোরিয়ায় পালিয়ে যান তিনি। হাইস্কুলের চৌকাঠ মাড়াননি কোনও দিন।
কান্নাভেজা গলায় সামরিক আদালতকে বলেছিলেন, সেটা ছিল বড়দিনের ছুটির সময়। খুব ঠান্ডা আর অন্ধকার। মদ খেতে শুরু করেছিলাম। এত মদ কখনও খাইনি। 

জেনকিন্স তার বয়ানে জানিয়েছিলেন, ১০ বোতল বিয়ার শেষ করে তিনি অসামরিক অঞ্চলে টহলে থাকা নিজের বাহিনীর লোকজনকে বলেছিলেন, অপেক্ষা করতে। তার পরে নিচে নেমে রাস্তা দেখতে যান। এই সময়েই কোনও ভাবে উত্তর কোরিয়ার দিকে হেঁটে চলে যান। হাতে ছিল রাইফেল। তাতে আটকানো ছিল একটা সাদা টি শার্ট। জেনকিন্সের দাবি, তার লক্ষ্য ছিল রাশিয়া যাওয়া। আর উত্তর কোরিয়ায় যে তাকে রেখে দেওয়া হবে, সেটাও তিনি আশা করেননি। আমেরিকা অবশ্য বরাবরই তাকে 'বিশ্বাসঘাতক' মনে করে এসেছে। 




উত্তর কোরিয়ায় থাকাকালীন জেনকিন্সকে সেখানকার সেনাদের ইংরেজি শেখাতে হতো। আর কখনও কখনও উত্তর কোরিয়া প্রশাসনের প্রচারধর্মী ফিল্মে মার্কিন গুপ্তচরের নেতিবাচক ভূমিকায় অভিনয় করানো হতো জেনকিন্সকে দিয়ে। 

উত্তর কোরিয়াতেই নিজের চেয়ে ২০ বছরের ছোট জাপানি মহিলা এবং ছাত্রী হিতোমি সোগাকে বিয়ে করেন প্রাক্তন এই মার্কিন সার্জেন্ট। হিতোমিকে আবার ১৯৭৮ সালে অপহরণ করেছিল পিয়ংইয়ং। সেই সময়ে দেশের গুপ্তচরদের প্রশিক্ষণ দিতে এ ভাবেই মহিলাদের অপহরণ করত পিয়ংইয়ং প্রশাসন। 

বিয়ে করার পরে জেনকিন্স পরিবারের সুরক্ষার কথা ভেবে আরও বেশি সিঁটিয়ে থাকতেন। উত্তর কোরিয়া তাকে যখন যা বলেছে, তিনি মেনেও নিয়েছেন। সোগা-জেনকিন্সের দুই কন্যা, মিকা এবং বৃন্দা। ২০০২ সালে জাপানে ফিরে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছিলেন সোগা। সে বছর অক্টোবরে এক সম্মেলনে উত্তর কোরিয়ার তৎকালীন নেতা কিম জং ইলের সঙ্গে জাপানি প্রধানমন্ত্রী জুনিচিরো কাইজুমির তেমন চুক্তিই হয়েছিল।

সোগা জাপানেই রয়ে যান। তার দু'বছর পরে জেনকিন্সও মেয়েদের নিয়ে জাপানে যান। সেখানেই তার কোর্ট মার্শাল হয়। আদতে নর্থ ক্যারোলাইনার বাসিন্দা জেনকিন্স সেই বিচারে উত্তর কোরিয়ায় পালিয়ে যাওয়া এবং শত্রুদের সাহায্য করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন। জাপানের মার্কিন সামরিক জেলে ২৫ দিনের জন্য রাখা হয়েছিল তাকে। ভালো আচরণের জন্য ছ'দিন আগে ছেড়েও দেওয়া হয় তাকে। 

তারপর থেকে জাপানের দ্বীপ সাডোয় সোগার বাড়িতেই থাকতেন জেনকিন্স। বলতেন, জীবনের শেষ অধ্যায়ের প্রথম দিন শুরু হয়েছে। একটি স্যুভেনির শপ-এ বেশ জনপ্রিয় কর্মী ছিলেন তিনি। পর্যটকদের সঙ্গে ছবিও তুলতেন। সোমবার সাডোর সেই বাড়ির বাইরেই হঠাৎ পড়ে যান তিনি। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

Source: bd-pratidin.com

Please share this news to your friends and relatives.

Democrat Doug Jones wins election to US Senate from Alabama

Democrat Doug Jones wins election of US

MONTGOMERY, Ala. (AP) — Democrat Doug Jones wins election to the U.S. Senate from Alabama, as voters in the deeply conservative and heavily Republican state deal a stark political blow to President Donald Trump and narrow the GOP’s majority in the Senate to two seats.


The state’s former U.S. attorney beat Roy Moore, a former chief justice of the Alabama Supreme Court whose campaign was upended by allegations of sexual misconduct involving teenage girls amid a national reckoning with such sordid conduct.

Stabbing suspect still at large

Source: AP

Please share this news to your friends and relatives. 

Bangla Sports (BPL) News: বিপিএলে গেইলের তাণ্ডব (ভিডিও)

Bangla Sports News

ক্রিস গেইল ছক্কার ফুলঝুরি ছুটিয়ে মন জয় করেছেন ভক্তদের। গেইল এমনই এক মায়াবী আলো, যেদিন নিজে জ্বলেন সেদিন বাকি সব কিছু অন্ধকার করে দেন! কাল স্বপ্নের ফাইনালে মিরপুরে আবারও জ্বলে ওঠে ‘গেইল-আলো’, সেই সঙ্গে নিভিয়ে গেল ঢাকা ডায়নামাইটসের টানা দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের স্বপ্ন। গেইলের ব্যাটে চড়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতল রংপুর রাইডার্স।

শেরেবাংলায় কাল গেইলের ব্যাটের আগুনে পুড়ে ছারখার হয়ে গেল ডায়নামাইটস। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই দানবীয় ব্যাটসম্যান একাই হাঁকালেন ১৮টি ছক্কা! ৬৯ বলে অপরাজিত ১৪৬ রান! গেইলের সাইক্লোন ব্যাটিং রংপুর রাইডার্স পায় ২০৬ রানের এভারেস্টসম এক স্কোর! তারপর ৫৭ রানের মধুর এক জয়। বিপিএলের প্রথম তিন ম্যাচে খেলেননি গেইল। তারপরও এই আসরে সর্বোচ্চ রান এসেছে তার ব্যাট থেকেই।




বিপিএলে তার কিছু ছ্ক্কা বৃষ্টির নমুনা ভিডিও:


US News: Stabbing suspect still at large

Stabbing suspect still at large

Warrant with $100K cash-only bond issued for Benjamin Pita

COTTONWOOD –Police are still searching for the suspect who allegedly stabbed a man multiple times in the State Route 260 and East Thousand Trails Road area Friday evening.

Cottonwood Police Department spokesperson Sgt. Monica Kuhlt said a warrant with a $100,000 cash-only bond has been issued for Benjamin Pita’s arrest for charges related to the stabbing.

Monday morning, Sgt. Kuhlt said the last report she received on the victim’s condition was that he was in ICU.

Pita of Cottonwood, is described as a 23-year-old Native American man who is 6 feet tall and weighs 165 pounds. He has black hair, brown eyes, and numerous tattoos. Pita was last seen wearing a black and yellow shirt.

According to a Cottonwood Police Department news release, the stabbing occurred in the area of SR 260 and East Thousand Trails Road around 6:30 p.m. Friday.

Police said Pita stabbed a 53-year-old man numerous times in the face, neck, arm and chest while in a car. The victim was driving and Pita was the passenger.

Pita jumped out of the vehicle in the area of East Thousand Trails Road and fled on foot.

Another passenger moved the victim to the passenger seat and drove to a convenience store in the area of Western Drive and SR 260 and called 911, according to the release.


The victim was flown to Flagstaff Medical Center due to the seriousness of his injuries and extreme blood loss.

An Arizona Department of Public Safety Ranger helicopter assisted in attempting to locate Pita using FLIR (forward looking infrared) cameras and numerous other agencies assisted in the search.

All occupants of the vehicle are known to each other, said police. However, the motive is still unclear.

Police said that Pita was not a hitchhiker as previously reported.
He is currently on Supervised Federal Parole, and the FBI has been notified as probable cause exists to arrest him.

Pita’s whereabouts at this time are unknown, according to police. If you know where he is or have any information that may lead to his arrest please call your local police department or Yavapai Silent Witness at (800) 932-3232. Tipsters never have to give their names.

Source: Verdenews

Please share this news to your friends and relatives.       
   

Bangla Science News: এলিয়েনদের বিষয়ে নাসার 'বড় আকারের' ঘোষণা আসছে বৃহস্পতিবার

Bangla Science News

এলিয়েনদের খোঁজে অনেক আগেই আঁটঘাঁট বেঁধে নেমেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব খোঁজার বিষয়ে নাসা এই পর্যন্ত যেসব কাজ করেছে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে। আগামী বৃহস্পতিবার আসছে নাসার এ সংক্রান্ত ঘোষণা। খবর ডেইলি মেইলের।

ওই ঘোষণার বিষয়ে এখনো তেমন কিছুই জানা যায়নি। টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে ঘোষণাটি দেয়া হবে। গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে কাজ করে কেপলার টেলিস্কোপ। এটি মহাকাশে গ্রহ খোঁজার বিষয়ে কাজ করে। কেপলারের টেলিস্কোপে ধরা পড়া গ্রহের মধ্যে পৃথিবীর মতো আর কোনো বাসযোগ্য স্থান আছে কী না- সে বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করেছে নাসা।


কেপলার ২০১৪ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত হাজারো 'এক্সোপ্ল্যানেট' চিহ্নিত করেছে যার মধ্যে ২১টির আকৃতি পৃথিবীর প্রায় সমান।   এসব গ্রহগুলো তাদের নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
এ টেলিস্কোপে ধরা পড়া সাম্প্রতিক গ্রহগুলোর বিষয়ে নিজেদের পর্যবেক্ষণ জানাবে নাসা। 
কম দামে মিলছে আইফোন

Source: bd-pratidin

Please share this news to your friends and relatives. 

Pentagon to allow transgender people to enlist in military

Pentagon allow transgender people in military

WASHINGTON (AP) — Transgender recruits will be allowed to enlist in the military beginning Jan. 1, the Pentagon said Monday, as President Donald Trump’s ordered ban suffered more legal setbacks.

The new policy reflects the difficult hurdles the federal government would have to cross to enforce Trump’s demand earlier this year to bar transgender individuals from the military.

Three federal courts have ruled against the ban, including one Monday in Washington state.

In October, U.S. District Judge Colleen Kollar-Kotelly barred the Trump administration from proceeding with its plan to exclude transgender people from military service. Part of the effect of the ruling was that the military would be required to allow transgender people to enlist beginning Jan. 1.

The government had asked Kollar-Kotelly to put the Jan. 1 date on hold while they appealed her full ruling but she declined Monday, reaffirming the Jan. 1 start date. The Department of Justice is now asking a federal appeals court to intervene and put the Jan. 1 requirement on hold.

Potential transgender recruits will have to overcome a lengthy and strict set of physical, medical and mental conditions that could make it difficult for them to join the armed services.

Maj. David Eastburn, a Pentagon spokesman, said the enlistment of transgender recruits will begin next month and proceed amid legal battles. The Defense Department also is doing a review, which is expected to carry into 2018.

Eastburn told The Associated Press on Monday that the new guidelines mean the Pentagon can disqualify potential recruits with gender dysphoria, a history of medical treatments associated with gender transition and those who underwent reconstruction. But such recruits are allowed in if a medical provider certifies they’ve been clinically stable in their preferred sex for 18 months and are free of significant distress or impairment in social, occupational or other important areas.

Transgender individuals receiving hormone therapy must be stable on their medication for 18 months.




The requirements make it challenging for a transgender recruit to pass. But they mirror concerns President Barack Obama’s administration laid out when the Pentagon initially lifted its ban on transgender service last year.

“Due to the complexity of this new medical standard, trained medical officers will perform a medical prescreen of transgender applicants for military service who otherwise meet all applicable applicant standards,” Eastburn said.

Aaron Belkin, director of the California-based Palm Center, an independent institute that has conducted research on sexual minorities in the military, said the 18-month timeline is fair.

“It’s a good standard because the Pentagon is treating gender dysphoria according to the same standards that are applied to all medical conditions,” he said.

However, Elaine Donnelly, president for the Center For Military readiness, said Trump “has every right to review, revise, or repeal his predecessor’s military transgender policies, which would detract from mission readiness and combat lethality.” Court judges, she said, are not qualified to run the military.

The Pentagon move Monday signals the growing sense within the government that authorities are likely to lose the legal fight.

“The controversy will not be about whether you allow transgender enlistees, it’s going to be on what terms,” said Brad Carson, who was deeply involved in the last administration’s decisions. “That’s really where the controversy will lie.”
Carson worried, however, that the Defense Department could opt to comply with a deadline on allowing transgender recruits, but “under such onerous terms that practically there will be none.” Carson, who worked for Carter as the acting undersecretary of defense for personnel, said requiring 18 months of stability in the preferred sex is a reasonable time.

“It doesn’t have any basis in science,” he said, noting that experts have suggested six months is enough. “But as a compromise among competing interests and perhaps to err on the side of caution, 18 months was what people came around to. And that’s a reasonable position and defensible.”

Sarah McBride, spokeswoman for Human Rights Campaign, praised the court’s ruling, saying that it affirms “there is simply no legitimate reason to forbid willing and able transgender Americans from serving their country.”

Source: AP

Please share this news to your friends and relatives.