'সেক্সটিং' করে সাত বছরের শিশু!


সাত বছরের শিশুরা পর্যন্ত যৌনতাবিষয়ক ছবি, বার্তা বা ভিডিও শেয়ার করার জন্য সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করছে বলে নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে।
যুক্তরাজ্যের নারী শিক্ষকদের জোট এনএএসইউডব্লিউটি (ঘঅঝটডঞ) জানিয়েছে, অর্ধেকের বেশি শিক্ষক জানান, তাদের যেসব শিক্ষার্থী সামাজিক মাধ্যমে যৌনতাবিষয়ক বার্তা আদান-প্রদান বা 'সেক্সটিং'করে, তাদের তারা চেনেন।

এই এক হাজার তিনশ’ শিক্ষকের এক-চতুর্থাংশ জানতেন, এগারো বছরের শিক্ষার্থীরা যৌনতাযুক্ত বার্তা আদান-প্রদানের সঙ্গে জড়িত, কিন্তু সবচেয়ে ছোট সাত বছরের একজনকে শনাক্ত করা গেছে। আর ১৩থেকে ১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা এতে জড়িত সবচেয়ে বেশী।

এক ঘটনায় এক মেয়ে এক ছেলেকে তার যৌনাঙ্গের ছবি তুলে পাঠাতে বলে। পরে মেয়েটি অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছবিটি শেয়ার করে। শিক্ষকরা আরও জানিয়েছেন, এমনকি শিক্ষার্থীরা নিজেদের হস্তমৈথুনেরভিডিও তৈরি করে, এমন ঘটনাও দেখা গেছে।

এনএএসইউডব্লিউটি-এর সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন, “এনএএসইউডব্লিউটি তিন বছর ধরে এ জরিপটি চালাচ্ছে এবং এ পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।"

এনএসপিসিসি -এর একজন প্রতিনিধি জানান, “ছবিগুলো শেয়ার করার মাধ্যমে শুধু হয়রানির বিষয়টি ছাড়াও, কিছু ক্ষেত্রে এটি শিশুদের যৌন অপরাধীদের লক্ষ্যে পরিণত করতে পারে।"

বিদ্যালয়ে যৌনতা সম্পর্কে আরও ভাল শিক্ষা প্রদানের আহ্বান জানিয়েছে শিশুদের সুরক্ষার জন্য কাজ করা এই দাতব্য সংস্থাটি।
সূত্র : বিডিনিউজ২৪

Post a Comment