আনন্দ দিতেই টি-টোয়েন্টি খেলেন গেইল!


ইংল্যান্ড ১৮২ রান করে ফেলার পরই অধিকাংশ ক্রিকেট ভক্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরাজয় লিখে দিয়েছিল; কিন্তু ক্যারিবীয় অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি পরাজয় শব্দটা শুনতে নারাজ। তার হাতে যে ক্রিস গেইলের মত ব্যাটসম্যান রয়েছেন। সুতরাং, খেলা শুরুর আগেই তিনি বলে দিতে পেরেছিলেন, ‘আরে গেইল আছে তো। ওর উপর চাপ ব্যাপরটা কখনই সেরকম প্রভাব ফেলতে পারে না’- কথাটা তিনি বলেছিলেন অবশ্য সুনিল নারিন, কিয়েরণ পোলার্ডদের না থাকায় কোন প্রভাব পড়বে কি না, তার জবাব দিতে গিয়ে।

ইংল্যান্ডের ১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এগারো বল বাকি থাকতেই ক্যারিবিয়ানদের জেতালেন গেইল। পাঁচটা বাউন্ডারি আর ১১টি ছক্কা হাঁকানো ইনিংসের পর গেইল এটাও বললেন, রীতিমতো ভাল প্রস্তুতি নিয়েই এসেছেন এবার। সঙ্গে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্রুততম সেঞ্চুরি (৪৭ বলে) করার পথে এভাবে জ্বলে ওঠার রহস্যও ফাঁস করেন ক্যারিবিয়ান সম্রাট।

‘মাঠে নামার আগে সতীর্থ সুলেমান বেন বলছিল ক্রিস তুমি ব্যাটিংয়ে এত আনন্দ দাও দর্শকদের। আজ সে ভাবেই আমায় আনন্দ দাও। ওর কথাটাই আমাকে তাতিয়ে দেয়।’ সঙ্গে গেইল আরও জানান, ‘ভারতে এসেছি আনন্দ দিতে। দর্শকদের আনন্দ দিতেই টি-টোয়েন্টি খেলি। পরের ম্যাচ বেঙ্গালুরুতে। আমার হোম টাউন। আশা করছি সেখানেও শ্রীলংকার বিরুদ্ধে এভাবে আনন্দ দিতে পারব।’

রান তাড়ায় নেমে প্রথম ওভারে জনসন চার্লস ফিরে গেলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চাপে মনে হয়নি কখনও। যার জন্য মার্লন স্যামুয়েলসকে কৃতিত্ব দিতে ভুললেন না গেইল। যাঁর সঙ্গে ৫৫ রানের পার্টনারশিপে এ দিন জয়ের ভীত গড়েন তিনি। ‘প্রথম ওভার ফেস করার কিছুক্ষণ পর স্ট্রাইক পেয়েছিলাম। মার্লন ততক্ষণে চাপটা অনেকটা কমাতে সাহায্য করেছে। আমাদের টার্গেট ছিল আস্কিং রান রেট দ্রুত কমিয়ে ফেলা। ম্যাচ শেষ করার ব্যাপারটা অন্য কারও হাতে না ছেড়ে নিজেই যে সারতে পারলাম তাতে খুব খুশি।’

আর সেলিব্রেশন? কী ভাবে এ রকম একটা ইনিংসে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করার উৎসব হবে? গেইল তাড়াতাড়ি বলে ওঠেন, ‘সেলিব্রেশন হবে চ্যাম্পিয়ন হলে। ডিজে ব্র্যাভো আর ওর নতুন গানে।’ সত্যি, গেইল ঝড় চলতে থাকলে ক্যারিবিয়ানদের সেলিব্রেশনের প্রস্তুতি কিন্তু আগেভাগেই শুরু হয়ে যাবে!

Source : jagonews24

Post a Comment