**TRY FREE HUMAN READABLE ARTICLE SPINNER/ARTICLE REWRITER**

বান্ধবীকে নিয়ে বাসায় থাকতে না দেওয়ায় খুন করে মাসুক

কসবা উপজেলার ইমাম প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী খাদিজাকে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে ঘাতক মাসুক মিয়া। গত সোমবার রাতে কসবা থানা পুলিশের কাছে সে এ বর্ণনা দেয় বলে দাবি করেছে পুলিশ। তার বর্ণনানুযায়ী, বান্ধবীকে নিয়ে বাসায় (খাদিজাদের) থাকতে না দেওয়ায় প্রতিশোধ হিসেবে খাদিজাকে হত্যা করে সে। এদিকে খাদিজা হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছেন স্থানীয় ইমাম প্রি-ক্যাডেট স্কুলসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

মাসুকের বর্ণনামমতে, ঘটনার তিন দিন আগে সে খাদিজাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। ৫ মার্চ সকাল সাড়ে ৭টায় মসজিদের মক্তবে যাওয়ার সময় চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলে কৌশলে ইমামপাড়ার বাবরু মিয়ার নির্মাণাধীন বিল্ডিংয়ের ৫ম তলায় খাদিজাকে নিয়ে যায় মাসুক। এর দুই ঘণ্টা পর সে নিজ হাতে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে খাদিজাকে। হত্যার পর লাশটি একটি পলিথিনে ভরে ওই রুমের খুপরিতে লুকিয়ে রাখে এবং তার রক্ত একটি কাপড় দিয়ে মুছে কাপড়টিও পলিথিনে পুরে রাখে। খাদিজার হাতে থাকা ছিপারা (আরবি শিক্ষার বই) ও রেহেলটিও একই জায়গায় রাখে মাসুক মিয়া। খাদিজা হত্যায় মাসুকের সহযোগী ছিল সিলেটের নির্মাণশ্রমিক তামিম ও কিবরিয়া। পুলিশ তাদেরও গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া মাসুকের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ইমামপাড়ার ওই নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে সোমবার গভীর রাতে খাদিজার রক্তমাখা জামা, ছুরি, ছিপারা ও রেহেল উদ্ধার করে থানা পুলিশ।

এদিকে কসবা পৌর সদরে গতকাল আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. আনিছুল হক ভূঁইয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এমজি হাক্কানী, কাজী মো. আজহারুল ইসলাম, কসবা পুরনো বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউল হুদা শিপন ও ইমাম প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ ইমাম।

ঘাতক মাসুদ মিয়া কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের লতুয়ামুড়া গ্রামের সমরাজ মিয়ার ছেলে।

কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, খাদিজা অপহরণে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র : আমাদের সময়

Post a Comment