**TRY FREE HUMAN READABLE ARTICLE SPINNER/ARTICLE REWRITER**

শচীনের চেয়েও সেরা কোহলি!


বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল বিরাট কোহলির ব্যাটিং দেখে মন্তব্য করেছিলেন, শচীনকেও ছাড়িয়ে যাবেন কোহলি। ওয়ানডেতে তো অবশ্যই। কারণ, ইতিমধ্যেই ২৫টা সেঞ্চুরি করে ফেলেছে তিনি। টেস্টেও এগিয়ে যেতে থাকবেন। টি-টোয়েন্টিতে তো নিজেকে সত্যিই অসাধারণরূপে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ভারতের টেস্ট অধিনায়ক।

আইসিসি থেকেই হিসেব-নিকেশ করে দেয়া হয়েছে টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে গ্রেট রান চেজার হলেন বিরাট কোহলি। রানা তাড়া করে জয়ের ক্ষেত্রে কোহলির ব্যাটিং গড়ই সবচেয়ে বেশি। অবিশ্বাস্যভাবে সেটা ৯১.৮ ভাগ। এ তালিকায় তিনি পেছনে ফেলেছেন অস্ট্রেলিয়ার মাইক হাসিকে। রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড গড়ার ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে অস্ট্রেলিয়ার মাইক হাসি। গড় ৫২.৬ করে।

তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ভারতের মহেন্দ্র সিং ধোনি। ৪৭.৯ করে তার রান তাড়া করার গড়। এরপরের অবস্থানে ছিলেন শ্রীলংকার কুমার সাঙ্গাকারা। কিছুদিন আগে অবসরে চলে যাওয়া সাঙ্গাকারার গড় ৪৪.৯ করে। জেপি ডুমিনি রয়েছেন এরপরের অবস্থানে। ৪৩.৭ করে রান তাড়া করার গড়।

আইসিসির এই হিসাব-নিকাশ অবশ্য দেখতে হয়নি ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম সফল অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলিকে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিরাট কোহলির ব্যাটিং তাকে এতটাই মুগ্ধ করেছে যে, সরাসরি শচীনের ওপরেও তাকে ঠাঁই দিতে ভুল করলেন না। তিনি সার্টিফিকেট দিয়ে বললেন, ‘রানতাড়া করার দিক থেকে এরই মধ্যে শচীনকে ছাড়িয়ে গিয়েছেন কোহলি।’

অস্ট্রেলিয়ার করা ১৬০ রানের জবাব দিতে নেমে এক সময় ভারতের পরাজয়ই দেখা যাচ্ছিল যেন। ওভার প্রতি রান প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছিল ১৩ করে। অথচ সে জায়গা থেকে কোহলি কী অসাধারণ ব্যাটিং করে ভারতকে জয় এনে দিলেন ৫ বল হাতে রেখেই। ৫১ বলে ৮২ রানের অপরাজিত অসাধারণ এক ইনিংস খেলে অবিসংবাধিতভাবে ম্যাচের সেরা হলেন কোহলি।

ভারতের ইন্ডিয়া টুডেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌরভ বলেন, ‘আমার দেখা এখনও পর্যন্ত রান তাড়া করার ক্ষেত্রে কোহলিই সেরা। এমনকি শচীন টেন্ডুলকারের চেয়েও সেরা। আমি শচীনের কথা মাথায় রেখেই বলছি। শচীন তো ছিলেন স্পেশাল একজন; কিন্তু যদি আপনি শুধু রান তাড়া করার কথা ভাবেন, কোহলি এরই মধ্যে টেন্ডুলকারের চেয়ে বেশি কিছু করেছে। সত্যিই কোহলি আমার কাছে অবাস্তব কিছু!’

১৬১ রান করতে নেমে যখন খুব কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে গিয়েছিল ভারত, তখনও নাকি সৌরভ ভরসা হারাননি। তার বিশ্বাস ছিল যেন ভারতই জিতবে এবং কোহলিই ম্যাচ বের করে আনবে। তিনি বলেন, ‘সে ঠিকই জানত যে কোনো সময় রানের গতি বাড়িয়ে ম্যাচটা বের করে আনতে পারবে। ভারতের টিম ম্যানেজমেন্টও জানে, ও ভারতের আসল চাবিকাঠি। তাই ও যখন ধীরে রান তোলে, তখনো কেউ ওর ওপর চাপ তৈরি করে না।’

একপর্যায়ে ৩০ বলে ৩৫ রান ছিল কোহলির। পরের ২১ বলে ৪৭ রান তুলে সেই কোহলি ম্যাচটার রংই বদলে দিয়েছেন মুহূর্তেই।

Source : jagonews24

Post a Comment