পুনঃময়নাতদন্তে তনুর মরদেহ উত্তোলন


কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর মরদেহ পুনঃময়নাতদন্তে কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। আজ বুধবার বেলা পৌনে ১২ টার দিকে জেলার মুরাদনগর উপজেলার মির্জাপুর কবরস্থান থেকে মরদেহ উত্তোলন করা হয়।

এর আগে সকাল সোয়া ১০টায় কুমিল্লা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার ড. নাজমুল করিম খান, কুমিল্লা পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন ও আদর্শ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফুন নাহারসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা কবরস্থানে এসে পৌঁছেন।

এছাড়াও মরদেহ উত্তোলনের সময় নিহত তনুর বাবা ইয়ার হোসেন ও ভাই নাজমুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

মরদেহ উত্তোলনের পর পুনঃময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (কুমেক) মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে ডিএনএ এবং অধিকতর আলামত সংগ্রহ শেষে আজই পুনরায় একই কবরস্থানে মরদেহ দাফন  করা হবে।

তনু হত্যাকাণ্ডের মামলাটি কুমিল্লা ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর হলে গত সোমবার মরদেহের পুনঃময়নাতদন্তের জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর আলম আদালতে আবেদন করেন।

তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কুমিল্লার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জয়নাব বেগম মরদেহ উত্তোলনের আদেশ দেন।
উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ রাত সাড়ে ১০ টায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি কালভার্টের পাশ থেকে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর (১৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কুমিল্লাসহ সারা দেশেই চলছে প্রতিবাদের ঝড়। নিহত সোহাগী কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের ইয়ার হোসেনের মেয়ে। ইয়ার হোসেন ময়নামতি সেনানিবাস এলাকার অলিপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারি।
সূত্র : আমাদের সময়

Post a Comment