অনাকাঙ্খিত ১০টি জায়গা যেখানে ক্যান্সার হতে পারে


বিভিন্ন জায়গাতেই ক্যান্সার হতে পারে। যেমন ফুসফুস, গলা, জরায়ু, স্তন, হাড়, কিডনি, ব্রেইন, স্কিন ইত্যাদি। এগুলো ছাড়াও শরীরের আরও জায়গাতে ক্যান্সার হতে পারে যেগুলোর কথা হয়ত আমরা চিন্তাও করিনা।  সূর্যের ক্ষতিকর অতি বেগুনী রশ্মি এসব জায়গার কোষের ডিএনএ'র পরিবর্তন এনে ক্যান্সারের মতো রোগ বাঁধায়। কিন্তু কখনও কখনও শরীরের কম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, বংশগত, কোন নির্দিষ্ট একই ওষুধ দীর্ঘদিন খেয়ে যাওয়া, শরীরে তিলের পরিমাণও ক্যান্সারের জন্ম দেয়। এভাবে আমাদের শরীরের কিছু জায়গায় অপ্রত্যাশিতভাবে ক্যান্সার দানা বাঁধে যেগুলোর কথা আমরা ভাবিই না।
চোখের পাতা : অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, শতকরা ৫-১০ ভাগ স্কিন ক্যান্সার হয় চোখের পাতায়। তাই আমাদের উচিৎ চোখ এবং ত্বক বিশেষজ্ঞ দ্বারা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া।
মুখ : যদি দু'সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে আপনার মুখে কোন ক্ষত থাকে, তাহলে দেরি না করে দন্ত বিশেষজ্ঞ বা চর্ম বিশেষজ্ঞ শরনাপন্ন হন। ক্যান্সার হওয়ার জন্য মুখ আরেকটি অপ্রত্যাশিত জায়গা।

নিতম্ব : যদি আপনি আপনার নিতম্বের মাঝে লাল লাল ফুসকুঁড়ি দেখেন, তাড়াতাড়ি করে অবশ্যই ডাক্তার দেখান। ক্যান্সার হওয়ার জন্য নিতম্ব আরেকটি অপ্রত্যাশিত জায়গা।

পায়ের আঙ্গুলের মধ্যে : মাঝেমাঝে দু'পায়ের আঙ্গুলের মধ্যস্থানগুলো পরীক্ষা করা উচিৎ। পায়ের আঙ্গুলের মাঝে যদি আপনি কোন পরিবর্তন লক্ষ্য করেন যেমন নিরাময় হচ্ছেনা এমন ফোড়া বা ঘা, কালো দাগ- এখনই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

পায়ের পাতা : ক্যান্সার হওয়ার জন্য অন্যতম জঘন্য জায়গা হতে পারে এই পায়ের পাতা। অ্যাক্রাল লেন্টিজিনাস মেলানোমা নামক একধরনের ক্যান্সার আছে যেটা পায়ের পাতায় হয়।

নখের নিচ: নখের নিচের চামড়ায় যদি আপনি রঙয়ের কোন অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখেন, আপনাকে এখনই সতর্ক হতে হবে এবং অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

কানের পিছন : এই অংশটি শরীরের সবচেয়ে উপেক্ষিত জায়গা যেখানে ক্যান্সার হতে পারে। তাই আমাদের উচিৎ কানের পিছন পরিষ্কার রাখা এবয় সানস্ক্রিন ব্যবহার করা।

করতল : মেলানোমা ক্যান্সারের জন্য হাতের তালু ঝুঁকিপূর্ণ। তাই বাহরে বের হওয়ার আগে হাতে ভালভাবে সানস্ক্রিন মেখে নিন।

ঠোঁট : ক্যান্সার থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বাইরে বের হওয়ার আগে ঠোঁটে ভালমতো কোনকিছুর প্রলেপ দিয়ে নিন। মেয়েরা ভাল লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন। ছেলেরা ভ্যাসলিন ইত্যাদি।

যৌনাঙ্গ : এটা এমন একটা অলক্ষিত জায়গা যেখানে ক্যান্সার হতে পারে। এক্ষেত্রে সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে সবসময়ের জন্য স্বাস্থ্য সচেতন থাকা। আর নিয়মিত ডাক্তারী পরীক্ষা করানো।
সূত্র : আমাদের সময়

Post a Comment