**TRY FREE HUMAN READABLE ARTICLE SPINNER/ARTICLE REWRITER**

ঐতিহাসিক কিউবা সফরে ওবামা


আর কিছুক্ষণ পরেই কিউবায় ঐতিহাসিক সফর শুরু করতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা রোববার। তাকে বরণ করতে প্রস্তুত গোটা দেশ। রাজধানী হাভানা জুড়ে শোভা পাচ্ছে ওবামা ও কিউবার প্রেসিডেন্ট রাউল ক্যাস্ট্রোর বর্ণিল পোস্টার। ৮৮ বছরের মধ্যে তিনিই হচ্ছেন প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি সমাজতান্ত্রিক এই দেশটিতে সফর করছেন। এই সফরে তার সঙ্গে আরো রয়েছেন স্ত্রী মিশেল ওবামা এবং দুই মেয়ে মেয়ে শাসা ও মালিয়াও।  

৪৮ ঘণ্টার এই সফরে তিনি কিউবার প্রেসিডেন্ট রাউল ক্যাস্ট্রোর সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে। এছাড়া দেশটির ভিন্নমতাবলম্বী রাজনীতিকদের সঙ্গে তার বৈঠক করার কথা রয়েছে। তবে তিনি দেশটির বৈপ্লবিক নেতা ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট রাউল ক্যাস্ট্রোর ভাই ফিদেল ক্যাস্ট্রোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন না। যদিও কিউবার এই নেতা ১৯৫৯ সালে বিপ্লবের পর থেকে দীর্ঘ ৪৯ বছর দেশটিকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

এই সফরে ওবামা কিউবার মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নের ব্যাপারে গুরুত্ব দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের গণমাধ্যমে এই সফর ব্যাপক গুরুত্ব পাচ্ছে। দুই দেশের জনগণই চায় তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে। যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে কিউবার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারে। এরকম ঘোষণা প্রেসিডেন্ট ওবামার বক্তব্যেও আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কিউবার ওপর থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

গত ৮৮ বছর আগে ১৯২৮ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজ প্রথমবারের মতো কিউবা সফর করেন। ১৯৫৯ সালে কিউবায় অভ্যুত্থান ঘটে। ওই সময় যে সরকার আসে সেই সরকারের সঙ্গে মার্কিন সম্পর্কের অবনতি  ঘটে। দীর্ঘদিন পর ল্যাটিন আমেরিকার এই দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে ওয়াশিংটন। যার প্রেক্ষিতে ওবামার এই সফর।

স্নায়ু যুদ্ধের সময়ে সৃষ্ঠ বৈরিতা কাটিয়ে গতবছরের জুলাইতেই সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয় দুই দেশ। ২০১৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর দুই দেশের প্রেসিডেন্টের এক ঘোষণায় উষ্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার অঙ্গীকার করা হয়। ইতিমধ্যে ওয়াশিংটন ও হাভানায় পুনরায় দূতাবাস চালু করা হয়েছে। দুই দেশের বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিমান চলাচলও শুরু হয়েছে। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে সরাসরি পত্র যোগাযোগ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সূত্র : বাংলামেইল২৪

Post a Comment