ব্লাশন ব্যবহারের সঠিক উপায়


মেকআপের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে ব্লাশনের ব্যবহার। ভিন্ন ভিন্ন ত্বকের জন্য ব্লাশনের ধরনও ভিন্ন হয়ে থাকে। সাধারণত পাউডার, ক্রিম, লিকুইড ও জেল ব্লাশন পাওয়া যায়। যাদের গায়ের রঙ ফর্সা তারা ব্যবহার করতে পারেন গোলাপি, অ্যাপ্রিকট রঙের ব্লাশন। যারা একটু শ্যামবর্ণ, তারা ব্লাশনে গাঢ় শেড ব্যবহার করবেন। 

যাদের ত্বক শুষ্ক তাদের জন্য ক্রিম ব্লাশন উপযোগী। গালের অ্যাপলে ছোট ছোট ডটের মতো ব্লাশন লাগান। আঙ্গুলের ডগা দিয়ে সার্কুলার মোশনে ব্লেন্ড করুন। ম্যাট ফিনিশ দিতে চাইলে ক্রিম ব্লাশন লাগানোর পর সামান্য পাউডার ব্লাশন লাগাতে পারেন।

সব ধরনের ত্বকের জন্যই পাউডার ব্লাশন উপযোগী। এটি ত্বকে ম্যাট ফিনিশিং দেয়। তবে যাদের ত্বক তৈলাক্ত তাদের জন্য অধিক কার্যকর। সাধারণত পাউডার ব্লাশনের সঙ্গে ছোট ও কম ব্রিসলযুক্ত ব্রাশ পাওয়া যায়। এ ধরনের ব্রাশ ব্লাশন লাগানোর জন্য মোটেও উপযুক্ত নয়। পাউডার ব্লাশন লাগাতে ঘন ও মোলায়েম ব্রিসলের মোটা ব্লাশন ব্রাশ ব্যবহার করুন। ব্লাশন লাগানোর সময় আয়নার সামনে হাসুন। হাসলে গালের যে অংশ ফুলে ওঠে তাকে অ্যাপল বলে। সার্কুলার মোশনে গালের অ্যাপলে ব্লাশন লাগান। তৈলাক্ত ত্বকে ব্লাশন ব্যবহারের আগে সামান্য লুজ পাউডার লাগাতে পারেন।

কোনো রকম টাচআপ ছাড়া যারা দীর্ঘ সময় গালের ব্লাশের রঙ ধরে রাখতে চান তাদের জন্যই লিকুইড বা জেল ব্লাশন। ওয়াটারপ্রুফ এ ব্লাশন স্বাভাবিক ও মিশ্র ত্বকের জন্য উপযুক্ত। তবে, শুষ্ক ত্বকে এ ধরনের ব্লাশন ব্যবহার না করাই ভালো। হাতের আঙ্গুলের ডগায় নিয়ে গালের অ্যাপলে সার্কুলার মোশনে ব্লাশন লাগিয়ে নিন। দ্রুত লাগান, কারণ এ ব্লাশন সহজেই শুকিয়ে যায়। আর শুকিয়ে গেলে পানি বা ক্লিনজার ছাড়া ব্লাশন তোলা সম্ভব নয়। লিকুইড বা জেল ব্লাশন লাগানোর আগে প্রাইমার বা ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিতে হবে। কিন্তু পাউডার লাগানো চলবে না।

মুখের গড়ন অনুযায়ী ব্লাশন
মুখের গড়ন অনুযায়ী ব্লাশন লাগানোটা খুবই জরুরী। ডিম্বাকৃতির মুখে দিনের বেলায় গালের অ্যাপলে ব্লাশন লাগান। রাতে গালের অ্যাপল ছাড়াও নাকের ওপরে সামান্য ব্লাশন হালকা করে লাগাতে পারেন। হার্ট শেপের মুখে অ্যাপলের ঠিক নিচে চোয়ালের হাড় বরাবর ব্লাশন লাগান। গোলাকৃতির মুখে চিকবোন ও চোয়ালের মাঝে উজ্জ্বল রঙের ব্লাশন লাগান। লম্বাকৃতির মুখে গালের অ্যাপল থেকে কান বরাবর ব্লাশন লাগান।
সূত্র : জাগোনিউজ২৪

Post a Comment