শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবেন যারা


এশিয়া কাপের রেশ কাটতে না কাটতেই ভারতে শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০১৬। দশ দেশের এই টুর্নামেন্টে মাঠ কাঁপাতে আসছেন গেইল-ডেভিলিয়ার্সরা। কিন্তু এদের মধ্যে এমন অনেক ক্রিকেটার আছেন, যাদের কাছে হয়ত এটাই শেষ বিশ্বকাপ। কারা আছেন সেই তালিকায়? এমন কিছু তারকাকে দেখে নেওয়া যাক :

মাশরাফি মর্তুজা : ক্রিকেট মাঠে বাংলাদেশ দলের অন্যতম ভরসা তিনি। বাংলাদেশের পেস বলের কান্ডারি। তার শীতল চোখে চোখ রেখে কথা বলতে ভয় পায় বাঘা বাঘা সব ব্যাটসম্যানরা। তিনি বর্তমান বাংলাদেশ দলের দলনেতা মাশরাফি বিন মর্তুজা। দীর্ঘ ১৫ বছরের ক্রিকেট জীবনে পরপর ৭টা মারাতœক সার্জারি করেও এখনো ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়া এই টাইগারকে হয়তো পরের বিশ্বকাপে দেখা যাবে না। 

তিলকারতেœ দিলশান: দিলস্কুপের জন্য বিখ্যাত শ্রীলঙ্কার এই ডানহাতি ব্যাটসম্যানের চলতি বিশ্বকাপের সময়ে বয়স ৩৯। চার বছর পর ৪৩ য়ে পা দেয়া দিলশানকে হয়ত আর খেলতে দেখা যাবে না।

লাসিথ মালিঙ্গা: শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গার বয়স প্রায় ৩৩। চার বছর পর বয়স হবে ৩৭। এমনিতেই চোট আঘাতে জর্জরিত মালিঙ্গা চার বছর পর বিশ্বকাপে কতটা খেলতে পারবেন সে বিষয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

মহেন্দ্র সিং ধোনি: তার অবসর নিয়ে এখনই জল্পনা শুরু হয়ে গেছে। ২০২০-তে ৩৯ বছরের ক্যাপ্টন কুলের বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা বেশ ক্ষীণ।

যুবরাজ সিং: ক্যান্সারকে হারিয়ে ২২ গজে ফিরে এসেছেন যুবরাজ। কিন্তু চার বছর পর ৩৮-এর যুবরাজের বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা অনেকটা অলীক কল্পনার মতই।

হরভজন সিং: ২০২০ সালের বিশ্বকাপের সময় ভাজ্জির বয়স হবে ৪০। এখনই তিনি দলে নিয়মিত নন। চার বছর পর বিশ্বকাপ দলে হরভজন যে থাকবেন সেটা বলার জন্য জ্যোতিষী হওয়ার প্রয়েজন হয় না বোধহয়!
হাশিম আমলা: চার বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকার এই ব্যাটসম্যানের বয়স ৩৭ হবে। থাকবেন কি সে বছরের বিশ্বকাপে তিনি? সন্দেহ কিন্তু থেকেই যাচ্ছে।

এবি ডি ভিলিয়ার্স: দক্ষিণ আফ্রিকার এই ‘সুপারম্যান’ ক্রিকেটারের চার বছর পর ৩৬ পা দেবেন। সেই সময় কি বিশ্বকাপে কথা বলবে তার ব্যাট? প্রশ্ন থাকছে।

শহিদ আফ্রিদি: এ বছর বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অধিনায়ক তিনিই। কিন্তু চার বছর পর ৪০-এর আফ্রিদিকে বোধহয় ব্যাট হাতে আর মাঠে দেখা যাবে না।

ডেল স্টেইন: ফার্স্ট বোলারদের ক্রিকেট কেরিয়ার এমনিতেই খুব একটা দীর্ঘ হয় না। চলতি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার এই বিধ্বংসী বোলারের বয়স ৩৪। চার বছর পর ৩৮-এর স্টেইনের বিশ্বকাপ খেলার চান্স প্রায় নেই।

শোয়েব মালিক: পাক ব্যাটসম্যান শোয়েব মালিক বেশ কয়েক দিন পর টিমে সুযোগ পেয়েছেন। চার বছর পর ৩৮-এর শোয়েবকে বিশ্বকাপে খেলতে না দেখার সম্ভাবনাই বেশি।

ক্রিস গেইল: এই জামাইকান ব্যাটসম্যানের প্রতিভা নিয়ে সন্দেহ না থাকলেও ২০২০-তে ৪১-এর গেইলের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

শেন ওয়াটসন: এই মুহূর্তে বিশ্বের এক নম্বর টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডার শেন ওয়াটসন। অসিদের অন্যতম স্তম্ভ ওয়াটসনের বয়স চার বছর পর ৩৯ হবে। পরের বিশ্বকাপে তাকে খেলতে দেখার সম্ভাবনা বেশ কম

Source : jagonews24

Post a Comment