**TRY FREE HUMAN READABLE ARTICLE SPINNER/ARTICLE REWRITER**

ওয়াকারের চোখে সবাই ফেবারিট


গত পাঁচ মাসে দুটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ ও একটি টুর্নামেন্ট খেলেছে পাকিস্তান দল। জিততে পারেনি একটিতেও। নভেম্বরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হারে। জানুয়ারিতে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে তিন ম্যাচের সিরিজটি হেরেছে ২-১ ব্যবধানে। এমনকি এ মাসেই শেষ হওয়া এশিয়া কাপে বাংলাদেশ-ভারতের বিপক্ষে হেরে ফিরতে হয়েছে শূন্য হাতে।
নভেম্বর থেকে এ পর্যন্ত মোট ১০ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৬টিতেই হেরেছে পাকিস্তান। সাম্প্রতিক ব্যর্থতার তালিকাটা এতই লম্বা যে, এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শহীদ আফ্রিদির দলকে ফেবারিট মানা কঠিনই। তাহলে কি টুর্নামেন্টটা পাকিস্তানের জন্য ‘মিশন ইমপসিবল’? প্রশ্নটা শুনে ওয়াকার ইউনিস মনে করিয়ে দিচ্ছেন ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম সংস্করণের আপ্তবাক্যটিই—২০ ওভারের ক্রিকেটে কোনো দলই ফেবারিট নয়।
কলকাতার ইডেন গার্ডেনে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে আজ ওয়াকার তুলে ধরলেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসটাও। প্রথম আসরে সবাইকে চমকে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির অনভিজ্ঞ ভারত। ২০০৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের তো শুরুই হয়েছিল হার দিয়ে। অথচ শেষ পর্যন্ত শিরোপা জয়ের হাসি হেসেছিল তারাই। ২০১০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই বা কে ভেবেছিল, ইংল্যান্ড জিতবে প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক শিরোপা! ২০১২ বিশ্বকাপে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে গ্যাংনাম নৃত্যে নেচে উঠল ক্রিস গেইলরা, সেটাও কী কম আশ্চর্যের? বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার চেয়ে ঢের এগিয়ে ছিল ‘হট ফেবারিট’ ভারত। কিন্তু শেষ হাসিটা হেসেছিল লঙ্কানরাই।

অতীত রেকর্ডে চোখ রেখে পাকিস্তানের সাম্প্রতিক ব্যর্থতা ছাপিয়ে ওয়াকারের কাছে তাই টি-টোয়েন্টির চরম অনিশ্চয়তাই বড় হয়ে উঠেছে, ‘এখানে মিশন ইম্পসিবল বলে কিছু নেই। সবাই জিততেই এসেছে। টুর্নামেন্টে কেউ ফেবারিট নয়। আগের টুর্নামেন্টগুলো দেখুন, ফেবারিটরা বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। এই টুর্নামেন্টেও সবাই ফেবারিট। আসলে আগামী তিন সপ্তাহ যারা ভালো খেলবে, তারাই জিতবে।’ ওয়াকারের কথা মানলে ফেবারিটের তালিকার বাইরে কিন্তু বাংলাদেশও নয়!

Source : prothomalo

Post a Comment