ওয়ার্নার-ম্যাক্সওয়েলের ব্যাটে সমতায় অস্ট্রেলিয়া


ডেভিড ওয়ার্নার ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এ জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতায় ফিরলো সফরকারীরা।

জোহানেসবার্গে রোববার ২০৫ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ওভারেই অ্যারন ফিঞ্চকে ফেরান কাগিসো রাবাদা। দলীয় ২৮ রানে বিদায় নেন অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথও।

দলের ৩২ রানে শেন ওয়াটসন ফিরে যাওয়ার পর জুটি বাধেন ওয়ার্নার ও ম্যাক্সওয়েল। চতুর্থ উইকেটে ১৩.১ ওভারে ১৬১ রানের জুটি গড়ে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত গড়ে দেন এই দুজন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যেকোনো উইকেটে এটাই অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ রানের জুটি।

আউট হওয়ার আগে ৭৫ রান করেন ম্যাক্সওয়েল। ৪৩ বলের ইনিংসটি ৭টি চার ও ৩টি ছয়ে সাজান তিনি। শেষ ওভারের প্রথম বলে আউট হওয়ার আগে ৪০ বলে ৬টি চার ও ৫টি ছয়ে ৭৭ রান করেন ওয়ার্নার।

ওয়ার্নারের বিদায়ের পর জিততে ৫ বলে ১১ রান প্রয়োজন ছিল অস্ট্রেলিয়ার। জেমস ফকনার ও মিচেল মার্শ তা তুলে নেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন রাবাদা ও ডেল স্টেইন।

এর আগে, টস হেরে ব্যাট করতে নামা দক্ষিণ আফ্রিকার শুরুটাও ভালো ছিল না। দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে মাত্র ১৫ রান তুলতেই এবি ডি ভিলিয়ার্সকে হারায় তারা। তবে ফাফ দু প্লেসি, কুইন্টন ডি কক ও ডেভিড মিলারের ঝড়ো তিনটি ইনিংসে ২০৪ রান করতে পারে স্বাগতিকরা।

তিনজনের মধ্যে সবচেয়ে বিধ্বংসী ছিলেন দু প্লেসি। জন হেস্টিংসের বলে ম্যাক্সওয়েলের হাতে ক্যাচ দেয়ার আগে ৪১ বলে ৭৯ রান করেন তিনি। ৫টি চার ও ৫টি ছয়ে সাজানো ছিল তার ইনিংসটি।

দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন ডি কক। ২৮ বলের ইনিংসটিতে ৮টি চার ও একটি ছয় মারেন তিনি। দুটি চার ও দুটি ছয়ে ১৮ বলে ৩৩ রান করেন মিলার।

৪ ওভার বল করে ২৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সফলতম বোলার ফকনার। হেস্টিংস ৪২ রানে নেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট নেন অ্যাস্টন অ্যাগার ও মার্শ। ৪ ওভার বল করে ৫০ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি জস হেইজেলউড।

বুধবার কেপ টাউনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিটি অনুষ্ঠিত হবে।

Source : jagonews24

Post a Comment