তনু হত্যা মামলায় সিআইডি’র জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত


কুমিল্লায় অবস্থানরত সিআইডির উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত সহায়ক দলটি শুক্রবার দিনভর তনুর পরিবারের সদস্য ছাড়াও বিভিন্ন জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। সিআইডি দুপুরে পূণরায় সেনানিবাস অভ্যন্তরে মরদেহ পাওয়ার স্থান পরিদর্শন শেষে বিকেলে সিআইডি কার্যালয়ে ফিরে আসে। 

এদিকে তনুর হত্যাকাণ্ডের পর ২৮ মার্চ গভীর রাত থেকে নিখোঁজ বুড়িচং উপজেলার নারায়ণসার গ্রামের মিজানুর রহমান সোহাগের আজও সন্ধান মিলেনি। 

জানা যায়, মামলার তদন্ত সহায়ক দলের প্রধান সিআইডি ঢাকার সিনিয়র পুলিশ সুপার আবদুল কাহ্হার আখন্দের নেতৃত্বে সিআইডির উচ্চ পর্যায়ের একটি টিম শুক্রবার সিআইডি কার্যালয়ে তনুর বড় ভাই নাজমুল, চাচাতো বোন লাইজু, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের কর্মচারী ও তনুর বাবার বন্ধু ইসমাঈল, তনুর বান্ধবী মনিষা এবং ছোট ভাই আনোয়ারের এক বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। পরে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সিআইডির এ দলটি কুমিল্লা সেনানিবাসে গিয়ে তনুর মরদেহ পাওয়ার স্থান এবং এর আশ-পাশের এলাকা পরিদর্শন শেষে তনুর বাসায় গিয়ে তার বাবা ইয়ার হোসেন ও মা আনোয়ারা বেগমের সঙ্গে কথা বলে মামলার বিষয়ে বক্তব্য রেকর্ড করেন।

এ বিষয়ে সন্ধ্যায় মোবাইলে তনুর বাবা ইয়ার হোসেন জানান, ‘সিআইডি’র লোকজন আমার বাসায় এসে আমাদের সঙ্গে কথা বলে তনুর মরদেহ পাওয়া থেকে শুরু করে তনু সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানতে চেয়েছে। এদিকে গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দিনভর কুমিল্লায় অবস্থানরত উচ্চ পর্যায়ের সিআইডি টিমের তদন্তে অগ্রগতি কতটুটু ? এমন প্রশ্নের উত্তর পেতে দিনভর সাংবাদিকরা সিআইডি অফিসে অপেক্ষা করলেও দায়িত্বশীল সিআইডি’র কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি। 

এদিকে, নিখোঁজ মিজানের বোন খালেদা আক্তার শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের জানান ‘আমার ভাই তনু হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কিছুই জানে না, তাকে অন্যায়ভাবে আটকে রেখেছে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা।’

গত ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের পাশের একটি জঙ্গলে কলেজ ছাত্রী তনুর মরদেহ উদ্ধারের পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ থেকে ২৫ মার্চ রাতে মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তরের পর আদালতের নির্দেশে গত ৩০ মার্চ কবর থেকে তনুর মরদেহ উত্তোলন করে ২য় দফায় ময়নাতদন্ত করা হয়। 
সূত্র : জাগোনিউজ২৪

Post a Comment