কুয়েতে কোরআন প্রতিযোগিতায় চতুর্থ বাংলাদেশের কিশোর!!!


কুয়েতের মাটিতে এই প্রথম বাংলাদেশের অর্জন!

বিশ্বের দরবারে আরেকবার উড়লো বাংলাদেশের সবুজ পতাকা। কুয়েতের আওকাফ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ৫৫টি দেশের অংশগ্রহণে কুয়েত আন্তর্জাতিক ক্বেরাত ও হেফজ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের কিশোর হাফেজ জাকারিয়া চতুর্থ স্থান অর্জন করে দেশের জন্য এ গৌরব বয়ে আনেন।

১৩ এপ্রিল 'কুয়েত অ্যাওয়ার্ড' নামে পরিচিত এ প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন কুয়েতের আমীর শেখ সাবাহ আল আহমাদ আল জাবের আল সাবাহ।

সপ্তম আন্তর্জাতিক এ প্রতিযোগিতায় ৫৫টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছিলেন। আজ (২০ এপ্রিল) ছিল প্রতিযোগিতার শেষদিন। প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় কুয়েতের আমীর শেখ সাবাহ আল আহমাদ আল জাবের আল সাবাহ উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কুয়েতের বিচার মন্ত্রী, আওকাফ ও ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও বিভিন্ন মুসলিম দেশে রাষ্ট্রদূতরা।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি কিশোর হাফেজ জাকারিয়া ৩০ পারা কোরআন হিফজ গ্রুপে চতুর্থ স্থান অর্জন করেন। পুরস্কার হিসেবে তিনি ৭ হাজার কুয়েতি দিনার ( বাংলাদেশী ১৮ লক্ষ টাকা ) ও সম্মাননা পত্র লাভ করেন।

কুয়েতে অনুষ্ঠিত কোনো প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এটাই সর্বোচ্চ সফলতা।

Source: Facebook


কুয়েতের ক্রাউন প্লাজা হোটেলে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় ১ম স্থান লাভ করেন লিবিয়ায় প্রতিযোগী। এর পর যথাক্রমে সৌদি আরব ও আমেরিকার প্রতিনিধিরা ২য় ও ৩য় স্থান অর্জন করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করে জনপ্রিয় বিভিন্ন আরবি চ্যানেল।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বাংলাদেশের প্রতিনিধি হাফেজ জাকারিয়া গত ১২ এপ্রিল কুয়েতের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। হাফেজ জাকারিয়া মানিকগঞ্জ জেলার বাসিন্দা।

সে তাহসিন ইন্টাঃ হিফজ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত আলহাজ্ব হাফেজ ক্বারী নাজমুল হাসান পরিচালিত একাধিকবার বিশ্বসেরা পুরস্কার পাওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যাত্রাবাড়ীর তাহফিজুল কোরআন ওয়াস সুন্নাহ মাদ্রাসার ছাত্র।

১৪ বছর বয়সী হাফেজ জাকারিয়া গত বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক শহর দুবাইয়ে ১৯তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ৮০টি দেশের প্রতিযোগীকে হারিয়ে তৃতীয় ও সুর ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান লাভ করেছিলেন। এ ছাড়া হাফেজ জাকারিয়া কাতার, জর্ডান ও মিসরের কোরআন হেফজ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে কৃতিত্বের সাক্ষর রাখেন।

Post a Comment