দাড়ির যত্ন


যারা দাড়ি রাখেন, তারা এর মধ্যে নানা রোগ-জীবাণু বহন করে চলেছেন এমন ভয় অনেকের মধ্যেই কাজ করে। অথচ এক গবেষণায় দেখা গেছে, দাড়িওয়ালাদের চেয়ে বরং দাড়ি কামানো পুরুষের মুখেই তারা বেশি রোগ-জীবাণু পাওয়া গেছে। গবেষকরা বলছেন, মেথিসিলিন-রেসিস্ট্যান্ট স্ট্যাফ অরিয়াস (এমআরএসএ) বলে যে জীবাণু অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী, সেটি দাড়িওয়ালাদের চাইতে দাড়ি কামানোদের মুখে তিনগুণ বেশি মাত্রায় পাওয়া যায়। 

গবেষকরা বলছেন, দাড়ি কামাতে গিয়ে মুখের চামড়ায় যে হালকা ঘষা লাগে, তা নাকি ব্যাকটেরিয়ার বাসা বাঁধার জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে। অন্যদিকে দাড়ি সংক্রমণ ঠেকাতে সাহায্য করে। তাছাড়া দাড়িতে এমন কিছু পদার্থ আছে, যা ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসে সাহায্য করে।

এছাড়া মুসলমানদের জন্য দাড়ি রাখা সুন্নত। হজরত মোহাম্মদ (সা.) তার উম্মতদেরকে দাড়ি রাখতে বলেছেন। 

কিন্তু দাড়ি রেখে দিলেই চলবে না নিয়মিত এর যতœও নিতে হবে। তা না হলে আপনাকে অপরিষ্কার দেখাবে। দাড়ি ধীরে ধীরে পড়েও যাবে। তা নিয়ে বিপত্তির শেষ থাকবে না। তাই জানা থাকুক দাড়ির যতœ নেয়ার কিছু নিয়ম।

ক্স দাড়ি বেড়ে যতোদিন না অন্তত এক মুষ্টি বা দুই ইঞ্চি লম্বা হচ্ছে ততোদিন তা ছাঁটবেন না।
ক্স এরপর প্রতি দু’মাস অন্তর অন্তর একবার করে ট্রিম করিয়ে নিন। 
ক্স নিয়মিত দাড়ি পরিষ্কার করা দরকার। তবে সাবান দিয়ে নয়। এর জন্য ব্যবহার করুন চুলের শ্যাম্পু। শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার লাগাতে পারেন। 
ক্স দাড়ির স্বাস্থ্য বজায় রাখতে আমন্ড অয়েল বা নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। তবে কিছুক্ষণ পরেই শ্যাম্পু করে নিতে হবে।
ক্স অনেকে আবার দাড়ি স্টাইল করতে পছন্দ করেন। তারা অবশ্য দাড়িতে জেল লাগাতে পারেন। 
ক্স আর হ্যাঁ, বড় দাড়ি রাখলে চুলের মতো তাতেও নিয়মিত চিরুণি দিতে ভুলবেন না যেন।
ক্স দাড়ি পেকে গেলে তাতে মেহেদি লাগাতে পারেন। তাতে দাড়ির গোড়া শক্ত হবে এবং দেখতে সুন্দর দেখাবে।
সূত্র : বাংলামেইল২৪

Post a Comment