Sponsored Ad

সুয়ারেজের জোড়া গোলে বার্সার জয়



মেসি-নেইমারদের দুর্দান্ত পারফর্মেন্স আর সুয়ারেজের জোড়া গোলে ঘরের মাঠে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ২-১ গোলে হারিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা। আর এ জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমির পথে এক পা দিয়ে রাখলো বার্সা।

ঘরের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হয়ে খেলতে থাকে মেসি-নেইমাররা। তবে অ্যাটলেটিকোর শক্ত রক্ষণভাগ ভাঙতে পারছিলেন না কেউই। ম্যাচের ১৯ মিনিটে গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করে নেইমার। দানি আলভেসের ক্রসে লাফিয়ে উঠে হেড করলে বল চলে যায় ক্রসবার উঁচিয়ে।  

নেইমার ভুল করলেও তোরেস কোন ভুল করেননি। ম্যাচের ২৫ মিনিটে ক্যাম্প ন্যুকে  স্তব্ধ করে দলকে লিড এনে দেন স্প্যানিশ এই তারকা। কোকের দুর্দান্ত পাস থেকে বল মার্ক আন্ড্রে টের স্টেগেনের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে জালে পাঠিয়ে দেন স্পেনের এই ফরোয়ার্ড। ম্যাচের ৩২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল গ্রিজমান। তোরেসের পাস থেকে বল বুটের সামনের অংশ দিয়ে দূরের পোস্টের দিকে পাঠিয়েছিলেন অন্তনি গ্রিজমান। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে কর্নারের বিনিময়ে তা ঠেকান টের স্টেগেন।
ম্যাচের ৩৫ মিনিটে তোরেস দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় অ্যাটলেটিকো। ফলে একজন কম নিয়ে  রক্ষণাত্মক খেলায় চলে যায় অ্যাটলেটিকো।

বিরতি থেকে ফিরে গোলের জন্য একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে সফরকারী ডিফেন্সকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে মেসি-নেইমার।ম্যাচের ৪৯ মিনিটে নেইমারের ক্রস বুকে দিয়ে নামিয়ে দর্শনীয় ওভারহেড কিক করেন মেসি; তবে বল চলে যায় পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে। ঠিক এর দুই মিনিট পরই দুই ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে নেইমারের বাঁকানো শট ক্রসবার কাঁপিয়ে ফেরত আসে।

অবশেষে ৬৩ মিনিটে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান তখন পর্যন্ত অনুজ্জ্বল সুয়ারেস। ৭৪ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে  বার্সেলোনাকে এগিয়েও দেন সুয়ারেস। ডান দিক থেকে আলভেসের ক্রসে জোড়ালো হেডে বল জালে জড়ান উরুগুয়ের এই ফরোয়ার্ড। বাকি সময় আর কোন গোল না হলে জয়ের আনন্দে মাঠ ছাড়ে মেসি-নেইমাররা। এ নিয়ে ক্যাম্প ন্যুতে টানা চার ম্যাচে অ্যাটলেটিকোকে হারাল বার্সেলোনা।
vমেসি-নেইমারদের দুর্দান্ত পারফর্মেন্স আর সুয়ারেজের জোড়া গোলে ঘরের মাঠে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ২-১ গোলে হারিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা। আর এ জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমির পথে এক পা দিয়ে রাখলো বার্সা।

ঘরের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হয়ে খেলতে থাকে মেসি-নেইমাররা। তবে অ্যাটলেটিকোর শক্ত রক্ষণভাগ ভাঙতে পারছিলেন না কেউই। ম্যাচের ১৯ মিনিটে গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করে নেইমার। দানি আলভেসের ক্রসে লাফিয়ে উঠে হেড করলে বল চলে যায় ক্রসবার উঁচিয়ে।  

নেইমার ভুল করলেও তোরেস কোন ভুল করেননি। ম্যাচের ২৫ মিনিটে ক্যাম্প ন্যুকে  স্তব্ধ করে দলকে লিড এনে দেন স্প্যানিশ এই তারকা। কোকের দুর্দান্ত পাস থেকে বল মার্ক আন্ড্রে টের স্টেগেনের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে জালে পাঠিয়ে দেন স্পেনের এই ফরোয়ার্ড। ম্যাচের ৩২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল গ্রিজমান। তোরেসের পাস থেকে বল বুটের সামনের অংশ দিয়ে দূরের পোস্টের দিকে পাঠিয়েছিলেন অন্তনি গ্রিজমান। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে কর্নারের বিনিময়ে তা ঠেকান টের স্টেগেন।

ম্যাচের ৩৫ মিনিটে তোরেস দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় অ্যাটলেটিকো। ফলে একজন কম নিয়ে  রক্ষণাত্মক খেলায় চলে যায় অ্যাটলেটিকো।

বিরতি থেকে ফিরে গোলের জন্য একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে সফরকারী ডিফেন্সকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে মেসি-নেইমার।ম্যাচের ৪৯ মিনিটে নেইমারের ক্রস বুকে দিয়ে নামিয়ে দর্শনীয় ওভারহেড কিক করেন মেসি; তবে বল চলে যায় পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে। ঠিক এর দুই মিনিট পরই দুই ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে নেইমারের বাঁকানো শট ক্রসবার কাঁপিয়ে ফেরত আসে।

অবশেষে ৬৩ মিনিটে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান তখন পর্যন্ত অনুজ্জ্বল সুয়ারেস। ৭৪ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে  বার্সেলোনাকে এগিয়েও দেন সুয়ারেস। ডান দিক থেকে আলভেসের ক্রসে জোড়ালো হেডে বল জালে জড়ান উরুগুয়ের এই ফরোয়ার্ড। বাকি সময় আর কোন গোল না হলে জয়ের আনন্দে মাঠ ছাড়ে মেসি-নেইমাররা। এ নিয়ে ক্যাম্প ন্যুতে টানা চার ম্যাচে অ্যাটলেটিকোকে হারাল বার্সেলোনা।

Source : jagonews24

Post a Comment