**TRY FREE HUMAN READABLE ARTICLE SPINNER/ARTICLE REWRITER**

কালীগঞ্জ বিদ্যুৎ অফিস যেন দুর্নীতির আখড়া


দুর্নীতি, অনিয়ম ও চরম অব্যবস্থাপনার আখড়ায় পরিণত হয়েছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের আবাসিক প্রকৌশলী কার্যালয়টি। 

অভিযোগে জানা গেছে, চোরাই বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে কালীগঞ্জের প্রায় ১৫টি ইজিবাইক গ্যারেজ থেকে প্রতিমাসে দেড় লক্ষাধীক টাকা হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে কোনো কাগজপত্র বা টেন্ডার ছাড়াই বলিদাপাড়া-রায়গ্রাম মোড় থেকে কওসারের ইটভাটা পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ৮টি পোল পুঁতে ১১ হাজার কেভি ভোল্টের লাইন টানা হয়েছে। এছাড়া একই ইটভাটার মধ্যে ৬টি বিদ্যুতের পোল পুঁতে ৪৪০ ভোল্টের লাইনও সরবরাহ করা হয়েছে। এসবই করা হয়েছে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে। শহরের প্রায় ১৫টি ইজিবাইক গ্যারেজে বিশেষ ব্যবস্থায় চোরাই লাইন দিয়ে প্রতি মাসে জনপ্রতি ১০ হাজার টাকাসহ দেড় লক্ষাধীক টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

সূত্র আরো জানায়, গত ২৩ ডিসেম্বর অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ব্যবহারের অভিযোগে ১৩টি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। কিন্তু ১৩ জনের মধ্যে শুধুমাত্র মামলা হয় একজনের নামে। বাকিদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ আদায় করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়নি এই কর্মকর্তারা। 

এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ ওজোপাডিকো এর আবাসিক প্রকৌশলী যুগল বন্ধু রায় জানান, যদি কেউ চোরাই লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ নিয়ে ইজিবাইকের ব্যাটারি চার্জ দেয় তাহলে আমাকে জানাবেন। অবৈধ বিদ্যুতের বিষয়ে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। 

তবে মাসিক উৎকোচ নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, কারা টাকা নেয় তা আমি জানিনা। 
সূত্র : জাগোনিউজ২৪

Post a Comment