সচেতন ব্যক্তির ৪ নিদর্শন


রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে উল্লেখ করেছেন, দুনিয়া মুমিনের জন্য জেলখানা আর অবিশ্বাসীদের জন্য বেহশত। এ হাদিসের আলোকে যারা দুনিয়াকে জেলখানা মনে করে পরকালের কাজসমূহকে যথাযথ গুরুত্ব সহকারে আদায় করে কুরআন হাদিসের দৃষ্টিকোনে তারাই সচেতন মানুষ। এ ধরনের মানুষ গাফলতির পর্দা ভেদ করে সর্বদাই সচেতন থাকে। তাদের ৪টি নির্দশন রয়েছে। যা তুলে ধরা হলো-

১. যে ব্যক্তি ইহকালীন (দুনিয়া) ব্যাপারে ধৈর্য ধারণ করে। তা সম্পাদন করতে বিলম্ব করে থাকে। অর্থাৎ পরকালের কাজের তুলনায় দুনিয়াবি কাজের গুরুত্ব তার কাছে কম।

২. পরকালীন কাজ আঞ্জামে (আল্লাহর বিধান পালনে) ব্যাপারে অত্যন্ত উদগ্রীব। পরকালীন কাজগুলো আগে আগে সম্পাদন করে থাকে।

৩. দ্বীনের ব্যাপারে ইলমের আলোকে পরিশ্রমের সাথে কার্যাবলী আঞ্জাম দেয়। অর্থাৎ কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক জীবন-যাপনে একনিষ্ঠ থাকে।

৪. মাখলুকের সাথে তার আচরণ হয় উপদেশমূলক ও সৌজন্য মূলক। অর্থাৎ তার মাঝে হিংসাত্মক, অহংবোধ ও লোক দেখানোর মতো কোনো চিহ্নই পাওয়া যায় না।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে এ গুণগুলো বাস্তব জীবনে অর্জন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Source : jagonews24

Post a Comment