নতুন চুম্বকতত্ত্বে আসছে কোয়ান্টাম কম্পিউটার


এ পর্যন্ত মানুষ দুই ধরণের ‍চুম্বকতত্ত্ব আবিষ্কার করতে পেরেছে। একটি হল ফ্যারোম্যাগনেটিজম (যা ফ্রিজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে) এবং অন্যটি অ্যান্টি ফ্যারোম্যাগনেটিজম (যা কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভে ব্যবহৃত হয়ে থাকে)। 

ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) গবেষক দল নিশ্চিত করেছে ‍চুম্বকতত্ত্বের আরও একটি ধরণ রয়েছে। আর এই তত্ত্বের বাস্তবিক প্রয়োগ করতে পারলেই কোয়ান্টাম কম্পিউটিং সত্যিকারভাবেই অনুশীলন করা যাবে। 

গবেষক দল একটি সুপারকোল্ড স্ফটিক উদ্ভাবন করেছে যেখানে কোয়ান্টাম স্পিন লিকুইড প্রদর্শিত হচ্ছে। এই প্রক্রিয়াতে চুম্বকের প্রতিটি কণা চুম্বকত্বের নির্দেশনায় একই লাইনে অবস্থান করে না। এই অদ্ভুত আচরণ কোয়ান্টাম অ্যানটেন্জেলমেন্ট (কোয়ান্টাম জড়িয়ে যাওয়া) নির্দেশ করে।  এই প্রক্রিয়াতে প্রতিটি চুম্বক কণা অন্য কণাদের প্রভাবিত করে। আর এটি হবে কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জন্য আদর্শ।

যদি বিজ্ঞানীরা এই উৎপাদনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে এবং ভবিষ্যতে কোয়ান্টাম অ্যানটেন্জেলমেন্ট নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে তাহলে তারা একটি বিশ্বস্ত কোয়ান্টাম কম্পিউটার আবিষ্কার করতে পারবে। কোন ধরণের ঝামেলা ছাড়াই এখানে কিউবিট (কোয়ান্টাম বিটস) গুলো ভাঁজ করা যাবে। এম আই টির গবেষকরা দুর্লভ একটি খনিজ পদার্থ ব্যবহার করেছে এই প্রক্রিয়ার সফলতার জন্য। সফলতার পথে এটি একটি কঠিন পদক্ষেপ।

প্রযুক্তিতে এই কম্পিউটারটি যুক্ত হতে আরও কয়েক বছর লাগতে পারে বলে জানিয়েছে গবেষকরা। এখন পর্যন্ত এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা। এই প্রযুক্তির বাস্তবায়ন হতে আরও কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। তৃতীয় তত্ত্বের এই চুম্বকটি প্রযুক্তি জগতে আমূল পরিবর্তন সাধিত করবে বলেই ধারণা করছে গবেষকরা।  
সূত্র : বাংলামেইল২৪

Post a Comment