মাগুরায় ডাকাত সর্দার গ্রেফতার


মাগুরায় আন্তজেলা ডাকাত দলের সর্দার বহিষ্কৃত বিডিআর সদস্য হেমায়েত হোসেনকে (৫০) গ্রেফতার করেছে মাগুরা সদর থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে এক কাঠ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১ লাখ টাকা ডাকাতির অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

হেমায়েত হোসেন ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ছাগলদী গ্রামের তাইজউদ্দিন মোল্যার ছেলে। সে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও ফরিদপুর জেলার ৭টি ডাকাতি, ছিনতাই, অস্ত্র মামলার আসামি।

মাগুরার পুলিশ সুপার (এসপি) একেএম এহসান উল্লাহ জাগো নিউজকে জানান, চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলে বিডিআরে চাকরি করার সময় অনৈতিক কাজের অপরাধে হেমায়েত হোসেনকে বহিষ্কার করা হয়। তারপর থেকে সে আন্তজেলা ডাকাত চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি, ছিনতাই করাসহ হেমায়েত হোসেন নানা অপরাধ করে আসছিল। 

তিনি আরো বলেন, গত মঙ্গলবার খলিলুর রহমান নামের এক কাঠ ব্যবসায়ী শহরের একটি ব্যাংক থেকে ১ লক্ষ টাকা তুলে নিয়ে মটর সাইকেলযোগে দুপুরে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে মাগুরা-যশোর সড়কের কাটাখালী-জাগলা এলাকায় হেমায়েত ও তার দল মাইক্রোবাস নিয়ে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ী খলিলুর রহমানের পথরোধ করে এবং ব্যবসায়ীকে মাগুরা ডিবি অফিসে নেয়ার কথা বলে জোর করে মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। এসময় মাইক্রোবাসটি মাগুরা শহরের দিকে রওনা হয়। পথে ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্যবসায়ী খলিলের কাছ থেকে হেমায়েত ১ লাখ টাকা কেড়ে নিয়ে শিমুলিয়া এলাকায় তাকে ফেলে যায়। 

পরে খলিলুর রহমান এ ঘটনায় মাইক্রোবাসটির বর্ণণা দিয়ে সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এ সূত্র ধরে পুলিশ মাগুরা শহরের বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত সিসি ক্যামেরায় অনুসন্ধান চালিয়ে মাইক্রোবাসটি সনাক্ত করে। পুলিশ বৃহস্পতিবার ভোরে ফরিদপুরের নগরকান্দা ও ভাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই মাইক্রোবাসটির মালিক বদরুজ্জামান ও চালক লালনকে আটক করে। 
মাগুরায় আন্তজেলা ডাকাত দলের সর্দার বহিষ্কৃত বিডিআর সদস্য হেমায়েত হোসেনকে (৫০) গ্রেফতার করেছে মাগুরা সদর থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে এক কাঠ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১ লাখ টাকা ডাকাতির অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

হেমায়েত হোসেন ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ছাগলদী গ্রামের তাইজউদ্দিন মোল্যার ছেলে। সে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও ফরিদপুর জেলার ৭টি ডাকাতি, ছিনতাই, অস্ত্র মামলার আসামি।

মাগুরার পুলিশ সুপার (এসপি) একেএম এহসান উল্লাহ জাগো নিউজকে জানান, চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলে বিডিআরে চাকরি করার সময় অনৈতিক কাজের অপরাধে হেমায়েত হোসেনকে বহিষ্কার করা হয়। তারপর থেকে সে আন্তজেলা ডাকাত চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি, ছিনতাই করাসহ হেমায়েত হোসেন নানা অপরাধ করে আসছিল। 

তিনি আরো বলেন, গত মঙ্গলবার খলিলুর রহমান নামের এক কাঠ ব্যবসায়ী শহরের একটি ব্যাংক থেকে ১ লক্ষ টাকা তুলে নিয়ে মটর সাইকেলযোগে দুপুরে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে মাগুরা-যশোর সড়কের কাটাখালী-জাগলা এলাকায় হেমায়েত ও তার দল মাইক্রোবাস নিয়ে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ী খলিলুর রহমানের পথরোধ করে এবং ব্যবসায়ীকে মাগুরা ডিবি অফিসে নেয়ার কথা বলে জোর করে মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। এসময় মাইক্রোবাসটি মাগুরা শহরের দিকে রওনা হয়। পথে ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্যবসায়ী খলিলের কাছ থেকে হেমায়েত ১ লাখ টাকা কেড়ে নিয়ে শিমুলিয়া এলাকায় তাকে ফেলে যায়। 

পরে খলিলুর রহমান এ ঘটনায় মাইক্রোবাসটির বর্ণণা দিয়ে সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এ সূত্র ধরে পুলিশ মাগুরা শহরের বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত সিসি ক্যামেরায় অনুসন্ধান চালিয়ে মাইক্রোবাসটি সনাক্ত করে। পুলিশ বৃহস্পতিবার ভোরে ফরিদপুরের নগরকান্দা ও ভাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই মাইক্রোবাসটির মালিক বদরুজ্জামান ও চালক লালনকে আটক করে। 

ঘটনার দিন হেমায়েত মাইক্রোবাসটি ভাড়া করেছিল বলে জানতে পেরে পুলিশ হেমায়েতকেও গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। হেমায়েত ও মাইক্রোবাস চালক মাগুরার ব্যবয়াসীর কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা ছিনতাই করার কথা স্বীকার করেছে। পুলিশ হেমায়েতের সঙ্গীদের পরিচয় এবং ছিনতাই করা টাকা ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের জন্য তদন্ত শুরু করেছে।
সূত্র : জাগোনিউজ২৪

Post a Comment