**TRY FREE HUMAN READABLE ARTICLE SPINNER/ARTICLE REWRITER**

বৈশাখের সাজে সেজেছে ফ্যাশন হাউস রঙ বাংলাদেশ


বছর ঘুরে আবার দরজায় কড়া নাড়ছে বাঙালির প্রাণের বৈশাখ। নতুন বছরকে বরণ করে নিতে ভেতরে ভেতরে নিজেকে প্রস্তুত করছে সবাই। সেই রেশ ছড়িয়ে যাচ্ছে সবখানে। বাঙালির প্রাণের উৎসব পয়লা বৈশাখকে ঘিরে ফ্যাশন হাউস রঙ বাংলাদেশ সেজেছে নতুন সাজে। গত ২০ মার্চ থেকে রঙ এর সব বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে বৈশাখী পোশাক। পাওয়া যাবে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। বিক্রয় কেন্দ্রের পাশাপাশি অনলাইনেও অর্ডার দিতে পারবেন ক্রেতারা।

জানতে চাইলে রঙ বাংলাদেশ এর কর্ণধার সৌমিক দাস বলেন, নানা সমস্যা, যন্ত্রণা সত্ত্বেও বাঙালি ঠিকই বৈশাখের প্রথম প্রহরে বরণ করে নেবে বছরের প্রথম দিনটিকে। পুরনোকে বিদায় জানিয়ে সবাই মেতে উঠবে নতুনের আবাহনে। এই আবাহন নতুন পোশাক ছাড়া একেবারেই অসম্ভব। উদযাপনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাচার এই পোশাক নিয়ে বাঙালির ভাবনার শেষ নেই। ফ্যাশন হাউজগুলো নিজেদের মতো করেই সংগ্রহ সাজাচ্ছে। ফলে বৈশাখ নিয়ে রয়েছে বিস্তৃত আয়োজন। রঙ বাংলাদেশে বরাবরই বাংলার কথা বলে। বাঙালির কথা বলে। তাই এবারের অভিযাত্রায় সৃজনের প্রেরণা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে যামিনী রায়ের অঙ্কনশৈলীকে। আপাদমস্তক বাঙালি চিত্রকর যামিনী রায়ের ক্যানভাসে মূর্ত অবয়ব, রেখা ও রঙের উপস্থিতি আমাদের ঐতিহ্যের পরিচায়ক। রঙ বাংলাদেশের পোশাক ক্যানভাসে এবার উজ্জ্বলরূপে উপস্থিত যামিনী রায়। তবে কেবল বৈশাখী সংগ্রহ নয়। বরং যামিনী রায়ের প্রেরণায় তৈরি পোশাক বৈশাখ পরবর্তীতেও মিলবে।

জানা যায়, বাংলাদেশের পোশাক সংস্কৃতিকে সচেতনভাবে বিবেচনায় রেখেই রঙ বাংলাদেশ তাদের সংগ্রহ সাজিয়ে থাকে। এবারেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। বরং এই সময়, প্রকৃতির অবস্থা, পারিপার্শ্ব, আবহাওয়াও পোশাকের উপকরণ নির্বাচনে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

শাড়িই বলা যেতে পারে এবারের বৈশাখ সংগ্রহের মূল আকর্ষণ। সুতি, হাফসিল্ক, এন্ডি ও মসলিন এই চার ধরণের শাড়ি তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া সালোয়ার-কামিজের রেঞ্জটিও উল্লেখযোগ্য। সবগুলোই সুতিপ্রধান। বৈশাখ সংগ্রহের অন্যান্য পোশাক যেমন মেয়েদের সিঙ্গল কামিজ, ছেলেদের পাঞ্জাবি ইত্যাদিও সুতি কাপড়ে তৈরি।

সংগ্রহে যা রয়েছে: শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ-ওড়না, সিঙ্গল কামিজ, পাঞ্জাবি, বাচ্চাদের পোশাক, যুগল পোশাক (সালোয়ার-কামিজ + পাঞ্জাবি, শাড়ি + পাঞ্জাবি), ওড়না ও উত্তরীও। এছাড়া আরো রয়েছে শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং গয়না ও মেয়েদের ব্যাগ। উপহার সামগ্রী হিসাবে রয়েছে নানা ডিজাইনের মগ।

বৈশাখী সংগ্রহে ব্যবহৃত ভ্যালু অ্যাডেড মিডিয়া: ব্লক প্রিন্ট, স্ক্রিন প্রিন্ট, হ্যান্ড অ্যাম্ব্রয়ডারি ও মেশিন অ্যাম্ব্রয়ডারি
দর: নারী : ৫০০-৫০০০ টাকা, পুরুষ: ৮০০-২৫০০ টাকা, শিশু : ৩০০-১২০০ টাকা, উপহার সামগ্রী: ২৫০-৩০০ টাকা, মেয়েদের ব্যাগ: ৫০০-১২০০ টাকা, গয়না: ৫০-৭৫০ টাকা।

ডিজাইনের সংখ্যা: শাড়ি: মোট ৬০ ধরণের ডিজাইনের শাড়ি তৈরি করা হয়েছে। পাঞ্জাবি: মোট ৪০ ডিজাইনের পাঞ্জাবি তৈরি করা হয়েছে। সালোয়ার কামিজ: মোট ২৫ ধরণের ডিজাইনের সালোয়ার-কামিজ তৈরি করা হয়েছে। 

সিঙ্গল কামিজ: মোট ডিজাইনের সংখ্যা ৩৫। বাচ্চাদের পোশাক : এর ডিজাইন সংখ্য ২৫। মগ: মগ রয়েছে ৫ ধরণের ডিজাইনের।
সূত্র : জাগোনিউজ২৪

Post a Comment