**TRY FREE HUMAN READABLE ARTICLE SPINNER/ARTICLE REWRITER**

বেড়েই চলেছে পরীক্ষায় নকল, প্রশ্ন ফাঁস


আফ্রিকার দেশ ঘানায় পরীক্ষায় নকল এবং প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এটাই এখন দেশটির একটি অন্যতম সমস্যা। খবর বিবিসির।

এবছরই সিনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার আগের রাতে ইংরেজি, বিজ্ঞান আর সমাজবিজ্ঞানের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। পরীক্ষার দিন সকালে একটি জাতীয় দৈনিকের খবর বলা হয়, মাঝরাত থেকে ভোর চারটার মধ্যে অনেক ছাত্রই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র পেয়েছে।

প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পরীক্ষায় নকল। স্থানীয় পত্রিকায় এক ছাত্রের ছবি প্রকাশ হয়। তাতে দেখা গেছে পরীক্ষার প্রশ্নের জবাব সে তার উরুতে লিখে এনেছে। এ নিয়ে খুব উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট জন মাহামা। তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষ তাদের পরীক্ষার মর্যাদা রক্ষা করতে পারছে না।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষক এবং অভিভাবকরাও জড়িত রয়েছেন। অভিভাবকরাই ফাঁস হওয়া প্রশ্ন কেনার জন্য ছাত্রদের হাতে টাকা তুলে দিচ্ছেন।

তবে এ বিষয়ে মন্তব্য করে সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হয়েছেন পশ্চিম আফ্রিকার পরীক্ষা সংক্রান্ত কাউন্সিলের এক কর্মকর্তা। তিনি জানান, যা ঘটছে একে প্রশ্ন ফাঁস বলা যায় না, বরং বলা যায় ছাত্ররা `পূর্বধারণা` পেয়েছে যে পরীক্ষায় কি প্রশ্ন আসবে।

প্রশ্ন ফাঁস বা পরীক্ষায় নকলের ঘটনা শুধু ঘানায় নয় কেনিয়া, জাম্বিয়া, জিম্বাবুয়ের মতো আফ্রিকার অনেক দেশেই এই সমস্যা প্রকোট আকার ধারণ করেছে।

নকল এবং প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে পাস করা ছাত্রদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেটের যে কোন মূল্য নেই এটা অনেকে বোঝেন। তবে অধিকাংশরই ধারণা এতে শুধু বিদেশে গেলেই সমস্যা হতে পারে। নিজের দেশে এটা কোন সমস্যাই নয়।
সূত্র : জাগোনিউজ২৪

Post a Comment