যত্নে থাকুক আসবাব


ঘর পরিপাটি ও দৃষ্টিন্দন রাখতে আসবাবপত্রের জুড়ি নেই। প্রয়োজনে তো বটেই, যার যার রুচিশীলতা ফুটিয়ে তুলতেও দরকার আসবাবপত্র। কিন্তু শখের সেসব আসবাব কিনে এনে সাজিয়ে রাখলেই হবে না, নিতে হবে সঠিক যত্নও। দীর্ঘদিন অযত্নে যেকোনো জিনিসই ম্লান হয়ে যায়। তাই শুধু ধুলো ঝেড়ে পরিষ্কার রাখলেই হবে না, নিতে হবে বাড়তি কিছু যত্ন-

কাঠের আসবাব বহুদিন পর পর বার্নিশ না করিয়ে বছরে, দেড় বছরে একবার করে বার্নিশ করার চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে পুরোনো বার্নিশ এর উপর নতুন প্রলেপ না দিয়ে পুরোনো বার্নিশ পুরোপুরি তুলে ফেলে বার্নিশ এর নতুন আস্তরণ দিন। এছাড়া বার্নিশ এর পরিবর্তে নানা টেক্সচার এর উড কালার ব্যবহার করেও আসবাবে নতুনত্ব আনতে পারেন।

ঘরের যে অংশটিতে রোদ পড়ে সেখানে কখনো কাঠের আসবাব রাখবেন না। এতে পলিশ এর রং হালকা হয়ে যাওয়া বা কাঠে ফাটল ধরার মতো নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কাজেই আসবাবের সামনে বা পেছনে কোনো দিকেই যেন সরাসরি রোদ এসে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখুন। এজন্য প্রয়োজনে জানালায় ভারী পর্দা ব্যবহার করুন।

কাঠের উপর প্রায়শই গোল রিং এর মতো দাগ পড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে প্রথমে দাগ পড়া স্থানটি ব্লটিং পেপার দিয়ে চেপে ধরুন। তারপর ব্লটিং পেপার সরিয়ে অলিভ অয়েল বা মেয়নেজ দিয়ে দাগের উপর ঘষে শুকনো করে মুছে নিন।

অনেকের বাসস্থানেই আসবাবের একটি বড় শত্রু হিসেবে দেখা দেয় নানা রকম পোকামাকড় যেমন কাঠকাটুনি বা ঘুণপোকার উপদ্রব। বিশেষ করে যাদের বাড়িতে কাঠের আসবাবের পরিমাণ বেশি তাদেরকে এই সমস্যায় পড়তে হয় প্রায়শই। এক্ষেত্রে কাঠের আসবাবকে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য তাতে হালকা নিমের তেল স্প্রে করতে পারেন।

ডাইনিং টেবিল হোক কিংবা বসার ঘরের সেন্টার টেবিল, কখনোই এগুলোতে সরাসরি গরম জিনিস রাখবেন না। টেবিল এর উপর কোনো ক্লথ বা কাপড় না থাকলে কমপক্ষে একটি কাগজ বা কোস্টার বিছিয়ে তার উপর গরম জিনিস রাখুন। একই ভাবে পানির গ্লাস বা তরল কোনো কিছু রাখতেও একই ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করুন।

কাঠের আসবাবের উপর গরম কিছু রাখার কারণে রং নষ্ট হয়ে গেলে নরম কাপড়ে কর্পূর বা স্পিরিট নিয়ে নির্দিষ্ট স্থানটিতে ঘষে দাগ তুলে ফেলুন।
সূত্র : জাগোনিউজ২৪

Post a Comment