কর ফাঁকির মামলায় মেসির ২১ মাসের কারাদণ্ড


এমনিতেই সময়টা ভালো যাচ্ছে না আর্জেন্টিনার প্রাণভোমরা লিওনেল মেসির। টানা দ্বিতীয়বার কোপা আমেরিকার ফাইনাল থেকে ছিটকে পড়ে রাগে-ক্ষোভে অবসর নিয়ে নেন মেসি। এই ঘটনার কয়েকদিনের মাঝে আবারও মেসি ভক্তদের জন্য দুঃসংবাদ।

কর ফাঁকির অভিযোগে স্প্যানিশ আদালত আর্জেন্টিনা এবং বার্সেলোনার মহাতারকা লিওনেল মেসিকে ২১ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে। আজ বুধবার বার্সেলোনার একটি আদালত এ রায় দেন। ২১ মাসের কারাদণ্ডের পাশাপাশি মেসিকে ২০ লাখ ইউরো জরিমানা করা হয়। মেসির বাবা হোর্হে মেসিকে একই পরিমান সাজা দেওয়া হয়। মেসির বাবাকে ১৫ লাখ ইউরো জরিমানা করা হয়।

তবে সাজা হলেও প্রকৃত অর্থে জেলে যেতে হচ্ছে না মেসিকে। স্পেনের আইনানুযায়ী, ২৪ মাসের নিচে প্রথম কোন মামলায় জেল হলে তাকে সাজা ভোগ করতে হয় না। ফলে ২১ মাসের কারাদণ্ড হলেও জেলে যেতে হবে না বার্সেলোনার এই মহাতারকা ও তার বাবাকে।  

কোপা আমেরিকার আগেই এই মামলার শুনানি হয়েছিল। এর আগে ২০০৭ ও ২০০৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে মেসি ও তার বাবা ৪২ লাখ ইউরো কর ফাঁকি দেন বলে অভিযোগ এনেছিল স্পেনের কর কর্তৃপক্ষ। সেই মামলাতেই মেসিকে দোষী সাব্যস্ত করা হলো। 

সরকারি আইনজীবীদের অভিযোগ ছিল বেলিজ ও উরুগুয়েতে নিবন্ধিত কয়েকটি কোম্পানির মাধ্যমে হোর্হে তার ছেলের আয়কর ফাঁকি দেন। ২০১৩ সালের অগাস্টে মেসি ও মেসির বাবা ফাঁকি দেওয়া কর আর এর সুদ বাবদ ৫০ লাখ ইউরো পরিশোধ করেছিলেন।

কোপা আমেরিকার শতবর্ষী টুর্নামেন্টের ফাইনালে চিলির কাছে পেনাল্টিতে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে আর্জেন্টিনা। ওই ম্যাচে পেনাল্টিও মিস করেন মেসি। ম্যাচ হারা আর পেনাল্টি মিস যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। তাই রাগে ক্ষোভে দেশের জার্সি খুলে রাখলেন নিজের ১১৩তম ম্যাচে। অবশ্য সঙ্গে রয়ে গেল দেশের হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড।এমনকি বার্সেলোনার হয়ে সর্বোচ্চ গোল তার। 

সূত্রঃ প্রিয়

Post a Comment