ছাফা-মারওয়া পাহাড়ে বিশ্বনবি যে দোয়া পড়তেন



মুসলিম উম্মাহ হজ-ওমরা পালন এবং বাইতুল্লাহ পরিদর্শনে গেলে তাওয়াফের পাশাপাশি ছাফা ও মারওয়া পাহাড়ের সাঈ করে থাকেন। সাঈ করার সময় ছাফা ও মারওয়া পাহাড়ে আরোহন পূর্বক দোয়া করলে, আল্লাহ তাআলা সে দোয়া কবুল করে থাকেন। তাই বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও ছাফা-মারওয়া পাহাড়ে সাঈর সময় দোয়া করতেন। তা এখানে তুলে ধরা হলো-

হজরত জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছাফা পাহাড়ের উপর উঠে তিনবার বললেন-

safa-Marwah

উচ্চারণ : লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্‌দাহু লা-শারি-কালাহ্‌, লাহুলমুল্‌কু ওয়া লাহুল হামদু ইয়ুহ্‌ইয়ু ওয়া ইয়ুমি-তু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িং ক্বাদির।

অর্থ : ‘আল্লাহ ব্যতিত কোনো সত্য মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরিক নেই। রাজত্ব তাঁর হাতে, প্রশংসা একমাত্র তাঁর। তিনি জীবন দান করেন এবং তিনি মরণ দান করেন, তিনি সকল ক্ষমতার অধিকারী।’
অতপর ‘আল্লাহু আকবার’ ও ‘আল-হামদুলিল্লাহ’ বললেন এবং তাঁর শক্তি-সামর্থ্য অনুপাতে দোয়া করলেন।

 অনুরূপ মারওয়া পাহাড়ে উঠে বললেন-

safa-Marwah-Inner


উচ্চারণ : লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্‌দাহু লা-শারি-কালাহ্‌, লাহুলমুল্‌কু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িং ক্বাদির।

অর্থ : ‘আল্লাহ ব্যতিত কোনো সত্য মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরিক নেই। রাজত্ব তাঁর হাতে, প্রশংসা একমাত্র তাঁর। তিনি সকল ক্ষমতার অধিকারী।’

তারপর لَا اِلَهَ اِلّا الله(লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ); سُبْحَانَ الله (সুবহানাল্লাহ) এবং اَلْحَمْدُ لله (আল হামদুলিল্লাহ) বললেন। অতপর আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী দোয়া করলেন। (নাসাঈ)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হজ-ওমরা ও বাইতুল্লাহ পরিদর্শনের সময় ছাফা ও মারওয়া পাহাড় সাঈ করার সময় বিশ্বনবির জীবন্ত আমল করে মনের একান্ত চাওয়া-পাওয়াগুলো পূর্ণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

-jagonews24

Post a Comment