ঘুরে আসুন বাংলাদেশের ‘ভ্রমন স্বর্গ’ বান্দরবানের অমিয়াখুম ঝরনা থেকে !


ঘুরতে যাবেন অথচ মিলাতে পারছেন না যাবেন কোথায়? বান্দরবান নিঃসন্দেহে একটি সুন্দর জায়গা আর সুন্দরের প্র্কৃতি। অমিয়াখুম বান্দরবানের অসাধারণ একটি জলপ্রপাত বা ঝরনা।

বাংলাদেশে এত সুন্দর জায়গা! চারদিকে তাকিয়ে মাথা ঘুরে পড়ে যাবেন। হয়ত কেউ কেউ বলবে এখান থেকে আমি আর যাব না, আপনারা চলে যান। আপনি হয়ত গুনগুনিয়ে গাইতে শুরু করবেন ‘একি আপরূপ রূপে মা তোমার … ।’ আসুন জেনে নিই বান্দরবানের এই অমিয়াখুমে কিভাবে যেতে হবে।

বান্দরবান যদি বাংলাদেশের স্বর্গ হয়, তাহলে তিন্দু সেই স্বর্গের রাজধানী। কারণ তিন্দুর পরের জায়গাই হলো রাজা পাথর এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দাদের পূজনীয় ভয়ংকর পাথরের এই রাজ্য। বর্ষাকালে এখানে প্রায় প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটে। এই পথ হেঁটে পেরিয়ে নাফাখুম, আর নাফাখুম পার হয়ে জিনাপাড়ায।বান্দরবানের এই গ্রামের মানুষ এখনো আদিম, সহজ-সরল এই মানুষগুলো এখনো পর্যটক দেখলে হাঁ করে তাকিয়ে থাকে, কিছু খেতে চাইলেই কোথা থেকে যেন পাকা পেঁপে পেড়ে নিয়ে আসে। জিনাপাড়া থেকে যেতে হয় অমিয়াখুম ঝরনায় যা দেখলে মনে হয়, ‘লাইফ ইজ বিউটিফুল’। আর এই কারণে বান্দরবানকে বাংলাদেশের স্বর্গ বলা যেতে পারে।

tourr_48191_0 (1)

যেভাবে যাবেন
বান্দরবন থেকে বাস বা জীপে সোজা চলে যাবেন থানচিতে। সেখান থেকে গাইড নিতে হবে এবং নৌকা ভাড়া করে চলে যাবেন রেমাক্রি। এরপর আর কোনো গাড়ি যাবে না, গাড়ি তো দূরের কথা পায়ে চলার রাস্তা পেতেই কষ্ট হবে। পাহাড়ি ঝিড়ি পথে পায়ে হেটে আপনাকে পৌঁছতে হবে অমিয়াখুম।

চলার পথে হয়ত মনে মনে বলবেন কার বুদ্ধি শুনে যে আমি বান্দরবান এসেছিলাম! কিন্তু পৌঁছানোর পর আপনিই বলবেন, আরো আগে কেন আসিনি! আমি আবার আসব! চলতি পথে নাফাখুম পড়বে, সেখান থেকে যেতে হবে জিনাপাড়া। এখানে রাতে থেকে পরদিন খুব ভোরে অমিয়াখুম আর সাতভাইখুমের দিকে হাঁটা দেবেন।
সঙ্গে করে রশি, লাইফ জ্যাকেট আর খাবার নিয়ে যাবেন। ফিরে আসার পথে ‘পদ্মমুখ’ রাস্তা দিয়ে ফেরত আসতে পারেন। সে ক্ষেত্রে মাত্র পাঁচ ঘণ্টা হেঁটে অনেক আগেই আপনি থানচিতে পৌঁছাতে পারবেন। অমিয়াখুম ও সাতভাইখুম ভালোভাবে ঘুরে আসতে চার দিন লেগে যাবে। এই জায়গা খুবই দুর্গম তাই ব্যাগ ভারী না করাই ভালো।


-লেটেস্টবিডিনিউজ

Post a Comment