**TRY FREE HUMAN READABLE ARTICLE SPINNER/ARTICLE REWRITER**

মুসলিম নারী-পুরুষের করণীয়



আল্লাহ তাআলা পৃথিবীতে মানুষকে তার ইবাদাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর নির্দেশিত পথে চলা তথা জীবন পরিচালনা করা আবশ্যক। প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য আবশ্যক করণীয় কাজ দুটি তুলে ধরা হলো-

প্রথম কাজ
মানুষের দৈনন্দিন জীবন-পরিচালনায় কোনো শরিক ছাড়া শুধুমাত্র এক আল্লাহ তাআলার ইবাদাত করা এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আনুগত্য করা। পাশাপাশি আল্লাহ তাআলা যে কাজগুলো করার আদেশ দিয়েছেন তা বাস্তবায়ন করা; আর যা করতে নিষেধ করেছেন তা থেকে বিরত থাকা।

এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা এক আল্লাহর ইবাদাত কর এবং কোনো কিছুকে তাঁর সাথে শরিক কর না।’ (সুরা নিসা : আয়াত ৩৬)
অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য কর এবং শোনার পর কখনো তা থেকে বিমখু হইও না।’ (সুরা আনফাল : আয়াত ২০)

দ্বিতীয় কাজ
মানুষের দ্বিতীয় আব্যশক করণীয় কাজ হলো- আল্লাহর পথে মানুষকে আহ্বান করা, সৎ কাজের আদেশ দেয়া এবং অন্যায় ও অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখা।

এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমাদের মধ্য থেকে এমন একটি দল থাকা উচিত, যারা (মানুষকে) কল্যাণের দিকে ডাকবে সত্য ও ন্যায়ের আদেশ দিবে আর অসত্য ও অন্যায় কাজ থেকে (তাদের) বিরত রাখবে; অতপর যারা এ দলে শামিল হবে প্রকৃতপক্ষে তারাই সফলতা লাভ করবে। (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১০৪)

হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘তোমাদের যে কেউ কোনো ঘণ্য (অন্যায়) কাজ দেখবে তার উচিৎ হাত দ্বারা প্রতিহত করা; আর যদি তা অসম্ভব হয়ে পড়ে, তবে মুখে প্রতিবাদ করা; আর তাতেও অসম্ভব হলে মনে মনে তা ঘৃনা করা(তা বন্ধে নিরবে কাজ করা)। আর এটাই হল দুর্বল ঈমান।’ (মুসলিম)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে উল্লেখিত কাজ দুটি যথাযথভাবে করার জন্য যোগ্যতা দান করুন। এবং মানুষের মাঝে এ কাজের বাস্তবায়ন তথা দাওয়াত দেয়ার তাওফিক দান করুন। সবাইকে অন্যায় পথে থেকে ফিরে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।


-জাগোনিউজ২৪

Post a Comment